$type=ticker$count=12$cols=4$cate=0

হ্যাশট্যাগ মি-টু আন্দোলন প্রসঙ্গ: কতটা কার্যকরী হতে পারে বাংলাদেশে?

বাংলাদেশেও শুরু হয়েছে মিটু আন্দোলন। এখন পর্যন্ত দশজন নারী তাদের উপর ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। যদিও অভিযোগুলো অনেকদিন আগের। তবুও নারীরা শেয়ার করে বুকের চাপা কষ্ট কিছুটা হালকা করছেন বলে মনে হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে হ্যাশট্যাগ মি-টু আন্দোলনকে কেন্দ্র করে।এই আন্দোলনে সামিল হয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের নারীরা তাদের জীবনে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ঘটে যাওয়া যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে মামলা মোকদ্দমা, পদত্যাগ, চাকরীচ্যুতিসহ বিভিন্ন ঘটনা ঘটছে। উন্মোচিত হচ্ছে  সমাজের ভদ্রতার লেবাসধারী স্বনামধন্য ব্যক্তিদের আসল মুখোশ। এমন কোন দেশ নেই যে দেশের নারীরা (শিশু থেকে বৃদ্ধা) যৌন হয়রানির শিকার হন না।  কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়তো এই যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হয়। কিন্তু অধিকাংশ ঘটনাই চাপা পড়ে যায়। সমাজের নারীরা মুখ খুলতে চান না আত্মসম্মান নষ্ট হওয়ার ভয়ে। আর নোংরা লোকেরা নারীদের এই নীরাবতায় উৎসাহিত হয়ে নতুন উদ্যমে শুরু করে যৌন নিপীড়ন ও হয়রানি। কিন্তু নারীরা তাদের নীরবতা ভাঙতে শুরু করেছেন। বিশ্বের বৃহত্তম যৌন নিপীড়ন বিরোধী #মি-টু আন্দোলনে সামিল হয়ে নিজের জীবনের কলঙ্কিত অধ্যায়ের বর্ণনা দিচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ভারত, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে এই আন্দোলন।

কিভাবে শুরু হলো এই আন্দোলন?

মি-টু এর অর্থ হলো 'আমিও' অর্থাৎ আমিও যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছি এমনটাই বুঝানো হচ্ছে এই আন্দোলনের মাধ্যমে। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গ নারী তারানা বুর্কে ২০০৬ সালে শুরু করেছিলেন যৌন নির্যাতন বিরোধী হ্যাশট্যাগ মি-টু আন্দোলন। তখন এই আন্দোলন খুব বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করতে পারেনি। এরপর হলিউডের প্রযোজক হার্ভে উইনস্টেইনের যৌন কেলেঙ্কারির খবর ফাঁসের সূত্র ধরে মার্কিন অভিনেত্রী অ্যালিসা মিলানো ‘মি টু’ হ্যাশট্যগের এই প্রচারণা শুরু করেন আবারো৷ যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির ঘটনা প্রকাশ করতে নারীদের উৎসাহিত করতে এ প্রচারণা দ্রুত জনপ্রিয় হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে৷তাতে যে এমন সাড়া পাবেন তা সম্ভবত নিজেও ভাবেননি৷ মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৫৩ হাজারেরও বেশি মানুষ লিখে ফেলেছেন #মিটু৷ হ্যাশট্যাগটি টুইট করা হয়েছে পাঁচ লক্ষেরও বেশি বার৷ যুক্তরাষ্ট্রের সব পেশার, সব বয়সের নারীরাই জানাচ্ছেন, কখন, কীভাবে যৌন হয়রানি বা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন৷ পেশাজীবী নারীরা জানাচ্ছেন, প্রতিবাদী হতে গিয়ে চাকরি হারানোর কথা৷ যৌন হয়রানি, ধর্ষণ ইত্যাদি দেশ-কালের সীমায় বাঁধা কোনো বিষয় নয়৷ যুক্তরাষ্ট্রের নারীরাও প্রতিনিয়তই এর শিকার৷ কিন্তু সে দেশে পরিস্থিতি কত ভয়াবহ, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে উঠে আসা নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া৷ ইংরেজিতে #মিটু লিখে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বস্তরের নারীরা জানাচ্ছেন, জীবনের নানা সময়ে, নানা স্থানে যৌন নিগ্রহের শিকার হওয়ার না-বলা যত কাহিনি৷

এই আন্দোলন যুক্তরাষ্ট্রের গণ্ডি পেরিয়ে ঢুকে পড়ে ভারতে। হৈচৈ শুরু হয় পুরো ভারত জুড়ে। ভারতে  মিটু আন্দোলনের প্রথম বলি হন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর। যৌন হয়রানির অভিযোগের মুখে পড়ে তিনি পদত্যাগ করেন যদিও তিনি এটা স্বীকার করেন না। ভারতের কয়েকজন নারী এক সময়ের জনপ্রিয় সংবাদপত্র সম্পাদক এম জে আকবরের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনেন। শুরু হয় তুমুল বিতর্ক এবং এই বিতর্কের মুখেই তিনি পদত্যাগ করেছেন।


বাংলাদেশেও শুরু হয়েছে মিটু আন্দোলন। এখন পর্যন্ত দশজন নারী তাদের উপর ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। যদিও অভিযোগুলো অনেকদিন আগের। তবুও নারীরা শেয়ার করে বুকের চাপা কষ্ট কিছুটা হালকা করছেন বলে মনে হচ্ছে। বাংলাদেশে মিটু আন্দোলন জোরদার করতে বিভিন্ন র‍্যালি ও মানববন্ধন করা হলেও এই আন্দোলন ততটা সাড়া ফেলতে পারেনি। এর মুল কারণ হতে পারে ব্যাপক প্রচারণার অভাব ও নারীদের সামাজিক মর্যাদাহানর ভীতি। বাংলাদেশ আর ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র এক নয়। ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় এখানকার সমাজ সংস্কৃতি অনেকটা বেশি রক্ষণশীল। নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া তিক্ত ঘটনা যা এত দিন লুক্কায়িত ছিল নিজের মাঝে তা জানাজানি হলে সমাজে মর্যাদাহানি হবে বা সমাজের লোকজন বাকা চোখে তাকাবে এমন ভাবনাও তৈরি হতে পারে নারীদের মনে। বা হতে পারে নিপীড়ক প্রভাবশালী কোন ব্যক্তিত্ব। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠালে হিতে বিপরীত হতে পারে এমন ভাবনার কারনেও হয়তো আমাদের দেশের নারীরা মিটু আন্দোলনে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না।



মিটু আন্দোলনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ নারীই নিজের কর্মক্ষেত্রে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন এমন্টাই জানাচ্ছেন। অর্থাৎ কোন দেশের কর্মক্ষেত্রই নারীদের অনুকুলে নয় মনে হচ্ছে। কর্মক্ষেত্রে নিজ সহকর্মী দ্বারা যৌন হয়রানির শিকার হতে হয় বেশি। তবে অন্যান্য সেক্টরে যে নারীরা কম হয়রানির শিকার হচ্ছেন তা কিন্তু নয়। আমাদের দেশীয় প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে দেখা যায় পরিবারে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং কর্মক্ষেত্রে নারীরা বেশি যৌন হয়রানির শিকার হন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো ধর্ষণ বা ধর্ষণ চেষ্টা বা গুরুতর কোন ঘটনা না ঘটলে নারীরা মুখ খোলেন না। অনেক সময় এমনটা হয় যে নিপীড়িত নারী বুঝতে পারছেন যে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তাকে যৌন হয়রানি করা হচ্ছে। তবুও তিনি তার সম্মানের ভয়ে বা চাকরি হারানোর ভয়ে নীরবে সেটি সহ্য করছেন। বুকে চাপা দিয়ে রাখছেন অসহ্য যন্ত্রণা।  তবে এবার সময় এসেছে বুক থেকে পাথর সরানোর। নিজের পুরানো তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলেও হয়ত অপরাধী এখন আর আদালতের মাধ্যমে বিচার পূর্বক শাস্তি পাবেন না। কারণ প্রমাণ করাটা কঠিন হবে। কিন্তু সামাজিকভাবে তিনি শাস্তি পাবেন। নিপীড়নের শিকার নারী হালকা অনুভব করবেন। সমাজের অন্য নারীরা তার কাহিনী জেনে নিজেকে সতর্ক করতে পারবেন। যিনি নিপীড়ন করেছেন তিনি চিহ্নিত হবেন। তার আশেপাশের লোকজন তাকে চিনবে। তার থেকে নিজেকে বাচাতে পারবেন। কাজেই মিটু আন্দোলনে সামিল হলে একজন নারী তার চাপা থাকা কষ্টগুলো শেয়ার করার মাধ্যমে নিজের কষ্টটাকে যেমন হালকা করতে পারছেন তেমনি সমাজের অন্য নারীদেরকেও সচেতন করতে পারছেন।


তবে যে যৌন হয়রানি নিয়ে এত কথা বলা হচ্ছে সেই যৌন হয়রানি বলতে আসলে কি বুঝায় তা আমাদের দেশের আইনে কোথাও স্পষ্ট করে বলা হয়নি। যৌন হয়রানি সম্পর্কে আমাদের উচ্চ আদালত একটি রায়ে কিছু গাইডলাইন দিয়েছেন। সেটাকে সুত্র ধরে আমরা যৌন হয়রানি সম্পর্কে একটা ধারণা নিতে পারি। আদালতের দিক নির্দেশনা অনুসারে যেসব বিষয় যৌন হয়রানি বলে বিবেচিত হবে সেই তালিকার মধ্যে রয়েছে:
  • অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন আবেদনমূলক আচরণ। যেমন শারীরিক স্পর্শ, এধরনের প্রচেষ্টা।
  • প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত ক্ষমতা ব্যবহার করে কারো সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করা।
  • যৌন হয়রানি বা নিপীড়নমূলক উক্তি, যৌন সুযোগ লাভের জন্যে অবৈধ আবেদন।
  • পর্নোগ্রাফি দেখানো, ব্ল্যাক মেইল কিম্বা চরিত্রহননের জন্যে স্থির ও ভিডিও-চিত্র ধারণ।
  • যৌন আবেদনমূলক মন্তব্য বা অশালীন ভঙ্গি, অশালীন ভাষা বা মন্তব্যের মাধ্যমে উত্যক্ত করা, যৌন ইঙ্গিতমূলক ভাষা ব্যবহার করে ঠাট্টা উপহাস করা।
  • অশালীন উদ্দেশ্য পূরণে কোন ব্যক্তির অলক্ষ্যে তার নিকটবর্তী হওয়া বা অনুসরণ করা।
  • চিঠি, মোবাইল, টেলিফোন, এসএমএস, ছবি, নোটিস, কার্টুন বেঞ্চ, চেয়ার টেবিল নোটিস বোর্ড, অফিস ফ্যাক্টরি, শ্রেণি কক্ষ, বাথরুমের দেওয়ালে যৌন অপমানজনক কিছু লেখা।
  • যৌন হয়রানির উদ্দেশ্যে খেলা ধুলা, সংস্কৃতি এবং শিক্ষাগত কার্যক্রমে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।
  • প্রেম নিবেদন করে প্রত্যাখ্যাত হলে হুমকি দেওয়া বা চাপ প্রয়োগ করা।
  • ভয় দেখিয়ে বা মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বা প্রতারণার মাধ্যমে যৌন সম্পর্ক স্থাপন বা স্থাপনের চেষ্টা করা।
বাংলাদেশের  নারীরা প্রতিনিয়ত কোন না কোন ভাবে যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিপীড়িত এসব নারীরা মুখ বন্ধ করে নীরবে সহ্য করে যাচ্ছেন। এসব নিপীড়নের কথা কারো নিকট শেয়ার করতে না পারায় শারীরিক ও মানসিক ভাবে নারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আর অপরাধীরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আনন্দ ফুর্তি করছে। নতুন নতুন মেয়েদেরকে টার্গেট করছে। এসব বন্ধ হওয়ার সময় ও সুযোগ এসেছে। তবে মিটু আন্দোলন বাংলাদেশে কার্যকরী করতে হলে মিটু এর পক্ষে জোর প্রচারণা চালাতে হবে। নারীদের উৎসাহিত করতে হবে। প্রয়োজনে মিটু কমিটি গঠন করতে হবে। তাহলেই কেবল মিটু আন্দোলন আমাদের দেশে আশার আলো দেখতে পাবে। মিটু আন্দোলনের মাধ্যমে যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
[তথ্য সুত্রঃ DW বাংলা, বিবিসি বাংলা]


পোস্টটি লিখেছেন-এডভোকেট আজাদী আকাশ।      

সুপ্রিয় পাঠক, পোস্টটি সম্পর্কে আপনার কোন মতামত থাকলে নিচে মন্তব্যের ঘরে জানাতে পারেন। এছাড়া আমাদের ব্লগে লিখতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

COMMENTS

BLOGGER
নাম

অদ্ভুতুড়ে টক,2,অর্থ ও বাণিজ্য,3,আইন আদালত,23,আইন যোদ্ধা,1,আইন শৃঙ্খলা,1,আদালতে হাতেখড়ি,5,আফসার হাসান,2,ইতিহাস ও ঐতিহ্য,3,ইসলাম,2,ঈমান,1,উপন্যস,2,এডভোকেট আজাদী আকাশ,57,এডভোকেট আনিসুর রহমান,7,এডভোকেট খোরশেদ আলম,1,এন্ড্রয়েড,1,কবিতা,22,কাজী নজরুল ইসলাম,2,খেলাধুলা,1,গল্প,8,জীবনানন্দ দাস,1,তাবলীগ জামাত,1,তৈমূর আলম খন্দকার,6,দেওয়ানী আইন,10,ধর্মীয় টক,9,নারী অধিকার,1,নির্বাচন,3,নির্বাচিত টক,14,নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী,1,প্রকৃতি,1,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,1,ফৌজদারি আইন,16,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,7,বিনোদন,2,বিবাহ,1,বিশেষ টক,7,ব্লগ,1,ভ্রমণ টক,2,মুক্ত টক,1,মোঃ মুঞ্জুরুল ইসলাম,1,যৌতুক,1,যৌন নির্যাতন,1,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,3,রম্যরচনা,1,রাজনীতি,11,রীট,1,রুদ্র রায়হান,9,রুবেল রানা,1,রেসিপি,2,লাইফস্টাইল,2,শিক্ষা,4,সম্পাদকীয় টক,16,সাহিত্য,25,সুকুমার রায়,3,স্বাস্থ্য টক,4,
ltr
item
Talkative Bangla- এসো বাংলায় মাতি উল্লাসে | বাংলা সোস্যাল ব্লগ সাইট : হ্যাশট্যাগ মি-টু আন্দোলন প্রসঙ্গ: কতটা কার্যকরী হতে পারে বাংলাদেশে?
হ্যাশট্যাগ মি-টু আন্দোলন প্রসঙ্গ: কতটা কার্যকরী হতে পারে বাংলাদেশে?
বাংলাদেশেও শুরু হয়েছে মিটু আন্দোলন। এখন পর্যন্ত দশজন নারী তাদের উপর ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। যদিও অভিযোগুলো অনেকদিন আগের। তবুও নারীরা শেয়ার করে বুকের চাপা কষ্ট কিছুটা হালকা করছেন বলে মনে হচ্ছে।
https://3.bp.blogspot.com/-gvHrb3gwJ28/XAqzab0iu8I/AAAAAAAABG8/qUYAgHrVsxEQZHsmoCm0dsYfc11T_d_vgCLcBGAs/s1600/talkativebangla5.jpg
https://3.bp.blogspot.com/-gvHrb3gwJ28/XAqzab0iu8I/AAAAAAAABG8/qUYAgHrVsxEQZHsmoCm0dsYfc11T_d_vgCLcBGAs/s72-c/talkativebangla5.jpg
Talkative Bangla- এসো বাংলায় মাতি উল্লাসে | বাংলা সোস্যাল ব্লগ সাইট
https://www.talkativebangla.com/2018/12/me-too-movement-in-Bangladesh.html
https://www.talkativebangla.com/
https://www.talkativebangla.com/
https://www.talkativebangla.com/2018/12/me-too-movement-in-Bangladesh.html
true
4497219040230755502
UTF-8
সকল পোস্ট লোড হয়েছে কোন পোস্ট পাওয়া যায়নি সব দেখুন বিস্তারিত পড়ুন Reply Cancel reply Delete By প্রথম পাতা বাকিটুকু পরবর্তী পাতায় দেখুন POSTS সব দেখুন আপনার জন্য আরও টক টক বিভাগ ARCHIVE আপনি খুজছেন সকল টক আপনার অনুরোধ অনুযায়ী কোন পোস্ট পাওয়া যায়নি। দয়া করে অন্যভাবে চেষ্টা করুন অথবা প্রথম পাতায় ফিরুন Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS CONTENT IS PREMIUM Please share to unlock Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy