$type=ticker$count=12$cols=4$cate=0

যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ পুরুষের জন্য কতটা সহায়ক?

যৌতুক নিরোধ আইন ১৯৮০ রহিতক্রমে ২০১৮ সালে নতুন করে যৌতুক নিরোধ আইন পাশ করা হয়েছে।যৌতুক আইনের অপব্যবহার করে এক শ্রেণীর নারীরা আদালতে মিথ্...


যৌতুক নিরোধ আইন ১৯৮০ রহিতক্রমে ২০১৮ সালে নতুন করে যৌতুক নিরোধ আইন পাশ করা হয়েছে।যৌতুক আইনের অপব্যবহার করে এক শ্রেণীর নারীরা আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে পুরুষদেরকে হয়রানি করতো।আইনের এই অপব্যবহার রোধে কার্যকর কোন ধারা সন্নিবেশিত না থাকায় মূলত: ১৯৮০ সালের আইনটি বাতিল করে নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়। এছাড়া যৌতুকের সংজ্ঞাসহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আদালতে ধুম্রজাল সৃষ্টি হওয়ায় নতুন করে আইন প্রণয়ন করার দাবি ওঠে। এরই প্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে যৌতুক নিরোধ আইনটি নতুন করে প্রণয়ন করা হয়। ১৯৮০ সালের আইন এবং ২০১৮ সালের নতুন আইন পাশাপাশি রাখলে বেশ কিছু পার্থক্য চোখে পড়ে।  

বিয়ের পক্ষ
১৯৮০ সালের আইনটি ইংরেজিতে ছিল কিন্তু ২০১৮ সালের নতুন আইনটি বাংলায় প্রণয়ন করা হয়েছে। পুরাতন আইনে বিবাহের পক্ষের কোন সংজ্ঞা দেয়া হয়নি কিন্তু নতুন আইনে প্রথমেই বিয়ের পক্ষগণের সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে। নতুন আইনে ‘‘পক্ষ’’ অর্থ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বিবাহের বর বা কনে অথবা বর বা কনের পিতা-মাতা অথবা বর বা কনের পিতা-মাতার অবর্তমানে বৈধ অভিভাবক অথবা প্রত্যক্ষভাবে বিবাহের সহিত জড়িত বর বা কনে পক্ষের অন্য কোনো ব্যক্তি। 

যৌতুকের সংজ্ঞা
পুরাতন আইনে যৌতুক এর যে সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে বিষয়বস্তু প্রসঙ্গের পরিপন্থী না হইলে এই আইনে “যৌতুক” বলিতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, প্রদত্ত যে কোন সম্পত্তি বা “মূল্যবান জামানত”কে বুঝাইবে, যাহা-

ক) বিবাহের একপক্ষ অপরপক্ষে অথবা

খ) বিবাহের কোন একপক্ষের পিতামাতা বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বিবাহের যে কোন পক্ষকেবা অন্য কোন ব্যক্তিকে বিবাহ মজলিশে অথবা বিবাহের পূর্বে বা পরে, বিবাহের পণরূপে প্রদান করে বা প্রদান করিতে অঙ্গীকারবদ্ধ হয় : তবে, যৌতুক বলিতে মুসলিম ব্যক্তগত আইন (শরিয়ত) মোতাবেক ব্যবস্থিত দেনমোহর বা মোহরানা বুঝাইবে না।

ব্যাখ্যা : ১) সন্দেহ নিরসনকল্পে এতদ্বারা জ্ঞাত হইল যে, বিবাহের সহিত সরাসরি সম্পর্কিত নহেন এমন কোন ব্যক্তিকর্তৃক স্বামী বাস্ত্রী, যে কোন পক্ষকে অনধিক পাঁচশত টাকা মূল্যমানের কোন জিনিস, বিবাহের পণ হিসাবে নহে, উপঢৌকনরূপে প্রদান করিলে, অনুরূপ উপঢৌকন এই ধারা মতে যৌতুক হিসাবে গণ্য হইবে না।

ব্যাখ্যা : ২) দন্ডবিধির (ইং ১৯৮০ সালের ৪৫ নম্বর আইনের) ৩০ ধারায় “মূল্যবান জামানত” যে অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে, এই আইনেও ঐ শব্দাবলী একই অর্থ বুঝাবে।


নতুন আইনে যৌতুকের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে ‘‘যৌতুক’’ অর্থ বিবাহের এক পক্ষ কর্তৃক অন্য পক্ষের নিকট বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের পূর্বশর্ত হিসাবে বিবাহের সময় বা তৎপূর্বে বা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে, বিবাহ অব্যাহত রাখিবার শর্তে, বিবাহের পণ বাবদ, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, দাবিকৃত বা বিবাহের এক পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষেকে প্রদত্ত বা প্রদানের জন্য সম্মত কোনো অর্থ-সামগ্রী বা অন্য কোনো সম্পদ, তবে মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়াহ্) প্রযোজ্য হয় এমন ব্যক্তিগণের ক্ষেত্রে দেনমোহর বা মোহরানা অথবা বিবাহের সময় বিবাহের পক্ষগণের আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব বা শুভাকাঙ্ক্ষী কর্তৃক বিবাহের কোনো পক্ষকে প্রদত্ত উপহার-সামগ্রী ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে না।
   
নতুন আইনে ব্যাখ্যা উঠিয়ে দিয়ে সংজ্ঞার ভিতরে বিস্তারিত বলে দেয়া আছে কোনগুলো যৌতুক আর কোনগুলো যৌতুকের অন্তর্ভূক্ত নয়। “এক পক্ষ কর্তৃক অন্য পক্ষের নিকট বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের পূর্বশর্ত হিসাবে/বিবাহ অব্যাহত রাখিবার শর্তে,” কথাগুলো সংযোজন করা হয়েছে  যা নিয়ে এতদিন যৌতুক আইন ব্যাখ্যার সময় ধুম্রজাল সৃষ্টি হত।
 
যৌতুক দাবি করিবার দণ্ড
পুরাতন আইনের চার ধারায় যৌতুক দাবি করার শাস্তির বিষয়ে বলা হয়েছিল। এই ধারা মতে কোন ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কনে বা বরের পিতামাতা বা অভিভাবকের নিকট যৌতুক দাবী করিলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কিন্তু অন্যূন ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড অথবা উভয় বিধ প্রকারে দন্ডনীয় হইবে।  

এই আইন অনুসারে অপরাধ হতে হলে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক ত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কনে বা বরের পিতামাতা বা অভিভাবকের নিকট যৌতুক দাবী করা লাগত। বর বা কনের নিকট যৌতুক দাবি করলে সেটা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হতো না এবং সাজা হিসেবে কারাদন্ডের পরিমাণ থাকলেও অর্থদন্ডের কোন পরিমাণ উল্লেখ ছিল না।
[post_ads]
কিন্তু নতুন আইনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কনে বা বরের পিতামাতা বা অভিভাবকের নিকট যৌতুক দাবী না করে শুধুমাত্র বর বা কনের নিকট যৌতুক দাবি করলেও তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই আইনের তিন ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি বিবাহের কোনো এক পক্ষ, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, বিবাহের অন্য কোনো পক্ষের নিকট কোনো যৌতুক দাবি করেন, তাহা হইলে উহা হইবে এই আইনের অধীন একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কিন্তু অন্যূন ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

এখানে এক পক্ষ আরেক পক্ষের নিকট যৌতুক দাবি করলেই সেটা অপরাধ বলে গণ্য হবে। আর পক্ষের সংজ্ঞায় আমরা আগেই দেখেছি পক্ষ অর্থ বর বা কনেকেও অন্তভুক্ত করে।

মিথ্যা মামলা দায়ের, ইত্যাদির দণ্ড
পুরুষের জন্য সবচেয়ে সহায়ক যে ধারাটি নতুন আইনে সংযোজন করা হয়েছে তা হলো ৬ নং ধারা। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অধীনে মামলা বা অভিযোগ করিবার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

কোন ব্যক্তি যদি শুধুমাত্র অপর ব্যক্তিকে হয়রানি বা ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে এই আইনের অপব্যবহার করে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন তাহলে তিনি মিথ্যা মামলা করার জন্য শাস্তি পাবেন।  এই বিধানটি পুরাতন আইনে ছিল না। 
[post_ads_2]
আরেকটি উল্লেখ্যযোগ্য বিষয় হলো পুরাতন আইনে অপরাধ আমলে নেয়ার  ক্ষেত্রে তামাদির বিধান থাকলেও নতুন আইনে এই বিধানটি উঠিয়ে দেয়া হয়েছে। যৌতুকের অপরাধ সংঘঠিত হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী এক বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করার বাধ্যবাধকতা ছিল পুরাতন আইনটিতে। এক বছরের পর মামলা দায়ের করলে সেই মামলা চলতো না। তবে নতুন আইনে এই বিধানটি বাতিল করা হয়েছে। এখন যৌতুক আইনে মামলা করতে বাধা ধরা কোন সময় নেই।  

যদিও যৌতুক আইনে নারী পুরুষের বিরুদ্ধে এবং পুরুষ নারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে তবুও দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীরাই পুরুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে পুরুষকে হয়রানি করে থাকে। তবে মিথ্যা মামলা করার বিষয়টি প্রমাণিত হলে বর্তমানে আইনেই মিথ্যা মামলা দায়ের কারীর বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেয়া যাবে যেটি পুরুষের জন্য কিছুটা হলেও সহায়ক হবে।
  • [accordion]
    • লেখক সম্পর্কে জানুন
      • পোস্টটি লিখেছেন- [ মোঃ আজাদুর রহমান ##pencil##] তিনি টকেটিভ বাংলার এডমিন ও সম্পাদক। পেশাগত জীবনে তিনি আইনজীবী হিসেবে ঢাকা জজ কোর্টে কর্মরত আছেন।
    • সাধারণ নোটিশ
      • টকেটিভ বাংলা ব্লগের সকল সম্মানিত লেখককে এই মর্মে জানানো যাচ্ছে যে, অত্র ব্লগে কোন ধরণের কাট-কপি-পেস্ট লেখা প্রকাশ করা হবে না। কোন লেখা কাট-কপি-পেস্ট প্রমাণিত হলে ঐ লেখা কোন ধরণের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই মুছে দেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট লেখকের কোন পোস্ট পরবর্তীতে অত্র ব্লগে প্রকাশ করা হবে না।
    • লিখুন এবং উপার্জন করুন
      • টকেটিভ বাংলায় আপনাকে স্বাগতম! টকেটিভ বাংলায় মান সম্মত লেখা জমা দিয়ে খুব সহজেই আয় করতে পারেন। টকেটিভ বাংলা বিশ্বাস করে প্রত্যেক ব্যক্তির মধ্যেই মেধা রয়েছে। এখন প্রয়োজন হলো সেই মেধার বিকাশ ঘটানো। মেধাকে লুক্কায়িত না রেখে বিশ্বের মাঝে ছড়িয়ে দিলে দেশ ও জাতির উন্নয়ন ও কল্যাণ হবে। টকেটিভ বাংলা মেধা বিকাশের সেই সুযোগটিই করে দিচ্ছে। পাশাপাশি লেখকদের নিজের পরিচিত বাড়িয়ে তোলা ও প্রতি কন্টেন্টের জন্য টাকা উপার্জনের সুযোগ করে দিচ্ছে। তাই আপনার মাথায় যদি গিজগিজ করে নিত্যনতুন আইডিয়া, চিন্তা, চেতনা তাহলে ঝড় তুলুন কী-বোর্ডে।

        টকেটিভ বাংলা থেকে আয় করতে হলে নিচের শর্তাবলী মেনে চলতে হবে-

        ১। আপনাকে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিতে হবে এবং নিজের প্রোফাইল থেকে কমপক্ষে ১০০ জন ফেসবুক ফ্রেন্ডকে আমাদের ফেসবুক পেইজের (টকেটিভ বাংলা) ইনভাইটেশন পাঠাতে হবে। (বাধ্যতামূলক না তবে এর মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তুলে ধরতে পারবো)।

        ২। এরপর সাইটে ভিজিট করে কম পক্ষে ৫ টি লেখা নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করতে হবে ও সেগুলোতে গঠন মূলক কমেন্ট করতে হবে। (বাধ্যতামূলক না, তবে এর মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তুলে ধরতে পারর। আর এই ক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা কাম্য।)

        ৩। প্রথমে টকেটিভ বাংলা সাইট টি ভিজিট করে আমাদের প্রকাশিত কন্টেন্ট সম্পর্কে আইডিয়া নিতে হবে। এরপর ৫০০-৭০০ শব্দের  ১টি সম্পূর্ণ মৌলিক, কপি-পেস্ট বিহীন কন্টেন্ট আমাদের ওয়েবসাইটে পাঠাতে হহবে। লেখাটির মান ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা স্বাপেক্ষে প্রকাশিত হবে। কোন লেখা কপি-পেস্ট বলে প্রমাণিত হলে তাকে টকেটিভ বাংলা থেকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে। প্রথম কন্টেন্ট যাচাইয়ের জন্য নেয়া হবে। লেখার বিষয়বস্তু আপনি নিজে পছন্দ করতে পারবেন।

        ৪। ২য় লেখা থেকে আপনি পেমেন্টের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন। লেখার মান অনুযায়ী প্রতি লেখার জন্য  ৫০ টাকা পাবেন এবং ১০ টি লেখা পেমেন্ট এর জন্য বিবেচিত না হওয়া পর্যন্ত পেমেন্ট এর জন্য অনুরোধ করতে পারবেন না।  কোন পোস্ট  প্রকাশিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নূন্যতম ১০ টি পজিটিভ ভোট প্রাপ্ত না হলে উক্ত পোস্ট পেমেন্ট এর জন্য বিবেচিত হবে না। বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট প্রদান করা হবে।

        ৫। এছাড়া একজন নিয়মিত লেখককে টকেটিভ বাংলায় প্রকাশিত নিজের লেখা+অন্য লেখাদের কমপক্ষে ৪ টা লেখা সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুকে শেয়ার দিতে হবে। তাছাড়া ওয়েব  সাইটে নিয়মিত গঠনমুলক মন্তব্য করতে হবে।

        ৬। দেশের প্রচলিত আইনের বিরোধী, কোন বিশেষ ধর্ম, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অথবা দেশকে কটাক্ষ করে কিছু লেখা যাবে না। এ ধরণের লেখা প্রকাশিত হবে না।

        ৭। একটি পোস্ট নূন্যতম ৫০০ শব্দের না হলে সেই পোস্ট পেমেন্ট পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবে না।

        ৮। কোন কবিতার ক্ষেত্রে সর্ব নিম্ন ১৪ লাইনের কবিতা না হলে এবং নূন্যতম ১৪ টি পজিটিভ ভোট ও ১৪ টি মন্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত উক্ত কবিতা পেমেন্ট এর জন্য মনোনীত হবে না।

        ৯। কোন কপি, পেস্ট করা পোস্ট বা ভুল তথ্য সম্বলিত পোস্ট পেমেন্ট পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবে না।

        ১০। টকেটিভ বাংলা ব্লগে লেখার নিয়ম, নীতিমালা ও শর্তাবলী বহির্ভূত কোন পোস্ট পেমেন্ট পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবে না। (টকেটিভ বাংলা ব্লগের নীতিমালা ও শর্তাবলী)

        ১১। পোস্টে অন্য কোথাও থেকে উদ্বৃতি দিতে হলে অবশ্যই রেফারেন্সসহ দিতে হবে।

        ১২। একজন লেখকের নূন্যতম ১০টি পোস্ট পেমেন্ট এর জন্য মনোনীত হলেই কেবল তিনি “রিওয়ার্ড ক্লেইম ফর্ম” পূরণ করে টকেটিভ বাংলা কর্তৃপক্ষের নিকট পেমেন্ট এর জন্য অনুরোধ করতে পারবেন।

        ১৩। একজন লেখক পেমেন্ট পাওয়ার যোগ্য হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে “রিওয়ার্ড ক্লেইম ফর্ম” পূরণ করে টকেটিভ বাংলা কর্তৃপক্ষের নিকট পেমেন্ট  এর দাবি না করলে তার সমস্ত পেমেন্ট বাতিল বলে গণ্য হবে।

        ১৪। কোন পোস্ট টকেটিভ বাংলায় জমা দেওয়ার সময় ৫ সংখ্যার একটি ইউনিক কোড এবং জন্ম তারিখসহ প্রয়োজনীয় তথ্যাদি প্রদান করতে হবে। এই ইউনিক কোডটি প্রতিটি পোস্টের ক্ষেত্রে সব সময় একই থাকবে। পৃথক পৃথক পোস্টের জন্য পৃথক পৃথক ইউনিক কোড ব্যবহার করা যাবেনা। এই ইউনিক কোডটি লেখককে সংরক্ষণ করতে হবে। কারণ পেমেন্ট ক্লেইম করার সময় এই ইউনিক কোডটি প্রয়োজন হবে। ইউনিক কোডটি অন্যের নিকট শেয়ার করা যাবে না।

        ১৫। উপরের সকল শর্তাবলীর কোন একটি না মানলেও পোস্টটি প্রকাশিত হতে পারে। তবে সেই পোস্টটি পেমেন্ট এর জন্য মনোনীত হবে না।

        সাইটের বিষয়ে লেখক ও পাঠকদের যেকোন গঠনমূলক সমালোচনা, মতামত সাদরে গৃহীত হবে। এ সাইট আপনাদের, একে এগিয়ে নেবার দায়িত্ব আপনাদেরই।


        বিঃদ্রঃ পূর্ব  নোটিশ ছাড়াই উপরোক্ত শর্তাবলী যেকোন সময় টকেটিভ বাংলা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংশোধিত, পরিবর্তিত বা সংযোজিত হতে পারে।
    • আমাদের কথা
      • অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং অনেক জীবনের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি এই বাংলা। পেয়েছি বাংলা ভাষা। তাই বাংলাদেশ ও বাংলা ভাষার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাবোধ হৃদয়ের গভীর থেকে। আমরা আবেগ-অনুভূতি-চিন্তা-চেতনায় ক্রমাগত মাটির গন্ধ খুঁজে বেড়াই। গন্ধ খুঁজে পার্থক্য করি বেলে-দোআঁশ-কাঁদা-পলি মাটি। এই মাটির সোঁদা গন্ধে আমাদের বেড়ে ওঠা। আমাদের কণ্ঠ মাটির কথা বলে, আমাদের কণ্ঠ এই মাটির সবুজ প্রকৃতির কথা বলে, আমাদের কণ্ঠ মাটিকে ভালবাসতে বলে। আমরা লালন করি একুশের চেতনা, আমরা লালন করি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। ধর্ষিতা বোনের শাড়ি আমাদের পবিত্র স্মৃতি। ৩০ লক্ষ শহীদ আমাদের পথের দিশারী। তাঁদের অসমাপ্ত পথ সমাপ্ত করার জন্য আমাদের জন্ম। লাল সবুজের পতাকার প্রতি আমরা সদা অবনত। আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা অসুন্দরের বিপক্ষ শক্তি, অন্যায়ের বিপক্ষ শক্তি, স্বাধীনতার শত্রুদের বিপক্ষ শক্তি। আমরা প্রগতির পক্ষে, আমরা অন্ধ গোঁড়ামির বিপক্ষে।  আমরা গল্প করবো, আড্ডা দেব, তর্ক করবো, বিতর্ক করবো। আমরা প্রস্তাব দেব, আলোচনা করবো। আমরা যুক্তির কথা বলবো, আমরা গণমানুষের মুক্তির কথা বলবো।

        তবে সবই হবে বাংলায়, একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে। আমরা স্বাধীনভাবে  বলবো কিন্তু বাধাহীনভাবে নয়। আমরা সত্যের সন্ধানে দান্দিক হবো। বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবো। এই মাটির প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি পালনে দৃঢ় থাকবো। আমরা কোনো কর্তৃপক্ষ নই, এই বাংলার প্রতিটি মানুষের সুন্দর স্বপ্ন নিয়েই আমরা। চর্যাপদের বুভুক্ষু পা আমরা, সুকান্ত’র চাঁদে ঝলসানো রুটি খোঁজা মানুষ আমরা। আমরা জসিম উদ্দিনের নকশী কাথার মাঠ। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কারিগর আমরা। হাজার বছরের বাঙালিয়ানা নিয়ে আমাদের পথ চলা। শুভ হোক ব্লগীং।

COMMENTS

BLOGGER: 1
Loading...
নাম

অদ্ভুতুড়ে টক,2,অর্থ ও বাণিজ্য,3,আইন আদালত,21,আইন যোদ্ধা,1,আইন শৃঙ্খলা,1,আদালতে হাতেখড়ি,5,আফসার হাসান,2,ইতিহাস ও ঐতিহ্য,3,ইসলাম,2,ঈমান,1,উপন্যস,2,এডভোকেট আজাদী আকাশ,57,এডভোকেট আনিসুর রহমান,3,এডভোকেট খোরশেদ আলম,1,এন্ড্রয়েড,1,কবিতা,18,কাজী নজরুল ইসলাম,2,খেলাধুলা,1,গল্প,8,জীবনানন্দ দাস,1,তাবলীগ জামাত,1,তৈমূর আলম খন্দকার,6,দেওয়ানী আইন,9,ধর্মীয় টক,9,নারী অধিকার,1,নির্বাচন,3,নির্বাচিত টক,14,নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী,1,প্রকৃতি,1,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,1,ফৌজদারি আইন,16,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,6,বিনোদন,2,বিবাহ,1,বিশেষ টক,7,ব্লগ,1,ভ্রমণ টক,2,মুক্ত টক,1,মোঃ মুঞ্জুরুল ইসলাম,1,যৌতুক,1,যৌন নির্যাতন,1,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,3,রম্যরচনা,1,রাজনীতি,11,রীট,1,রুদ্র রায়হান,9,রুবেল রানা,1,রেসিপি,2,লাইফস্টাইল,2,শিক্ষা,4,সম্পাদকীয় টক,16,সাহিত্য,21,সুকুমার রায়,3,স্বাস্থ্য টক,4,
ltr
item
Talkative Bangla- এসো বাংলায় মাতি উল্লাসে | বাংলা সোস্যাল ব্লগ সাইট : যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ পুরুষের জন্য কতটা সহায়ক?
যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ পুরুষের জন্য কতটা সহায়ক?
https://1.bp.blogspot.com/-HTP8zTeesyM/XEMhJWi31AI/AAAAAAAABeM/3ULCmJSJFoYs51RjhR6XHZpfcpCseu2OgCLcBGAs/s1600/Talkative%2BBangla-dowry.png
https://1.bp.blogspot.com/-HTP8zTeesyM/XEMhJWi31AI/AAAAAAAABeM/3ULCmJSJFoYs51RjhR6XHZpfcpCseu2OgCLcBGAs/s72-c/Talkative%2BBangla-dowry.png
Talkative Bangla- এসো বাংলায় মাতি উল্লাসে | বাংলা সোস্যাল ব্লগ সাইট
https://www.talkativebangla.com/2019/01/law-and-court-dowry-prohibition-act-2018.html
https://www.talkativebangla.com/
https://www.talkativebangla.com/
https://www.talkativebangla.com/2019/01/law-and-court-dowry-prohibition-act-2018.html
true
4497219040230755502
UTF-8
সকল পোস্ট লোড হয়েছে কোন পোস্ট পাওয়া যায়নি সব দেখুন বিস্তারিত পড়ুন Reply Cancel reply Delete By প্রথম পাতা বাকিটুকু পরবর্তী পাতায় দেখুন POSTS সব দেখুন আপনার জন্য আরও টক টক বিভাগ ARCHIVE আপনি খুজছেন সকল টক আপনার অনুরোধ অনুযায়ী কোন পোস্ট পাওয়া যায়নি। দয়া করে অন্যভাবে চেষ্টা করুন অথবা প্রথম পাতায় ফিরুন Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS CONTENT IS PREMIUM Please share to unlock Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy