$type=ticker$count=12$cols=4$cate=0

প্রতিবাদহীন সমাজে “মিথ্যাই” সত্যের ভূমিকা পালন করে

সংগত কারণেই বীর বাঙ্গালী গানে গানে বলতো “বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা আজ জেগেছে সেই জনতা”। স্বেচ্ছাচারিতা অর্থাৎ আইনের শাসনের চেয়ে শাসকে...

সংগত কারণেই বীর বাঙ্গালী গানে গানে বলতো “বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা আজ জেগেছে সেই জনতা”। স্বেচ্ছাচারিতা অর্থাৎ আইনের শাসনের চেয়ে শাসকের শাসন যখন বড় করে দেখা দেয় তখন দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে নিরপেক্ষ আসনে আসীন রাষ্ট্রীয় চেয়ারগুলিও স্বৈরতন্ত্রের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহ্নত হয়।
বিস্মিল্লাহির রাহ্মানির রাহিম। মিথ্যা অর্থাৎ মিথ্যা কথা (Lie),  মিথ্যা প্রতিবেদন (False Report),  মিথ্যা মন্তব্য (False Remark) মিথ্যা ঘোষনা (Announcement or declaration)মিথ্যা আশ্বাস (False Commitment)  প্রভৃতির উপর নির্ভর করে জাতির ভাগ্য এখন নিয়ন্ত্রিত হয়। পিতা পুত্রের সাথে, স্বামী-স্ত্রীর সাথে, ছাত্র শিক্ষকের সাথে, কর্মকর্তা কর্মচারীর সাথে, ভাই ভাইয়ের সাথে অর্নগল মিথ্যা বলে। এমনকি রাষ্ট্রও নাগরিকদের সাথে মিথ্যা বলে যাচ্ছে, কোথাও প্রতিবেদন, কেথাও মন্তব্য, কোথাও ঘোষণার মাধ্যমে, কোথাও ইতিহাসকে রঞ্জিত, অতিরঞ্জনের মাধ্যমে। মিথ্যার কষাঘাতে সংবিধানও ক্ষত বিক্ষত। নাগরিকদের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চয়তা সংবিধানে প্রদান করা হলেও “মিথ্যার” নিকট সবকিছুই জলাঞ্জলিত হচ্ছে। “নাগরিকদের জন্য আইনের শাসন” সংবিধান নিশ্চিত করলেও বাস্তবে এর প্রতিফলন কি? আইনের শাসনের বাস্তব প্রতিফলন কি? জনগণ পাচ্ছে না আইনের শাসন বরং শাসকদের আইন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। 
এ্যাডঃ তৈমূর আলম খন্দকার । ছবি: সংগৃহিত

পূর্বে মামলার ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করে মিথ্যা মামলা সৃজন করে নির্দোষ লোককে ফাঁসানো হতো। এখন ভৌতিক বা কাল্পনিক ঘটনার এজাহার দায়ের করে জেলহাজত, রিমান্ড প্রভৃতি প্রদান করা হয়। পূর্বে মিথ্যা মামলার বাদী হতো সরকারের দলীয় লোকজন, এখন জেনেশুনে মিথ্যা মামলার বাদী হয় পুলিশ, জিজ্ঞাসা করলে বলে যে, “উপরের নির্দেশে করেছি”। ম্যাজিষ্ট্রেট বা জজ সাহেবরা (জজ কোর্ট) মামলার সার বস্তু মিথ্যা জানার পরও সে মিথ্যা মামলায় অগনিত রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের জেল হাজত খাটতে হচ্ছে। ঘটনার আবর্তে প্রতিয়মান হয় যে, সরকারকে রক্ষা বা পুন: নির্বাচিত করার দায়িত্ব পুলিশের পাশাপাশি জজ, ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেবরাও নিয়ে নিয়েছে। ইতোপূর্বে হাই কোর্ট আগাম জামিন দিলে নিম্ন আদালত হাই কোর্টের আগাম জামিনকে সম্মান জানাতো। বর্তমানে খুন/স্বর্ণচোরাচালান প্রভৃতি মামলা ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেবরা জামিন দিলেও রাজনৈতিক মামলায় হাই কোর্টে আগাম জামিন প্রাপ্ত আসামীদের জেল হাজতে নিয়ে যায়। অর্থাৎ কৌশলে বেশী দিন হাজতে রাখার ফন্দি। জামিন দিবে না এ কথা মাথায় রেখেও জামিনের শুনানীর জন্য লম্বা তারিখ দেয়, অতপর জামিন নামঞ্জুর করে। হাই কোর্ট যদি না থাকতো তবে রাজনৈতিক মামলার নেতাকর্মীদের নি:শ্বাস নেয়া বন্ধ হয়ে যেতো। মাদকতা সহ দেশে শত ধরনের ক্রাইম হচ্ছে, কিন্তু তা নিধনের চেয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিধন করাই যেন সরকারের পাশাপাশি পুলিশ ম্যাজিষ্ট্রেট ও জজ কোর্ট দায়িত্ব নিয়েছে। 

“মৌলিক মানবাধিকার” সংবিধান বার বার নিশ্চিত করলেও সংবিধানের ২৬ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত অনুচ্ছেদ প্রদত্ব মৌলিক অধিকর থেকে জনগণ বঞ্চিত। এ কথাগুলি মাননীয় প্রধান বিচারপতিসহ সকলেই জানেন এবং এটাও জানেন যে, জনগণ এ মর্মে অনেক ক্ষুব্দ, তারপরও পাবলিক পারসেপশনের দিকে তাকান না বলে তারা প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন। 


সংগত কারণেই বীর বাঙ্গালী গানে গানে বলতো “বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা আজ জেগেছে সেই জনতা”। স্বেচ্ছাচারিতা অর্থাৎ আইনের শাসনের চেয়ে শাসকের শাসন যখন বড় করে দেখা দেয় তখন দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে নিরপেক্ষ আসনে আসীন রাষ্ট্রীয় চেয়ারগুলিও স্বৈরতন্ত্রের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহ্নত হয়। বাংলাদেশে আজ সেই চিত্রই ফুটে উঠেছে। আদালতের কোন কর্মকান্ড দ্বারা বিচার প্রার্থীদের হয়রানী করতে পারে না। যেমন জামিন না মঞ্জুর হওয়ার আদেশ হওয়ার পর সইমোহরী নকল পেতে দীর্ঘ সুত্রিতার কারণে বিচার প্রার্থীর উচ্চ আদালতে যেতে বিলম্ব হয়। এ ধরনের বহু ঘটনায় বিচার প্রার্থী হয়রানীর শিকার হয়, বিচার বিভাগের অনিয়ম দেখার দায়িত্ব যার উপর ন্যাস্ত তিনি এ সম্পর্কে নির্বাক। অথচ তার বিরুদ্ধে কিছু বলা বা সমালোচনা করা যাবে না, করলেই আদালত অবমাননার মামলা।  

জাতীয় জীবনে মিডিয়ার অনেক প্রভাব রয়েছে। মিডিয়া ইচ্ছা করলে কারও ভাবমুর্তি হিমালয়ের চুড়ায় নিতে পারে। অন্যদিকে কাউকে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করতে পারে। কিন্তু পাঠক বা জনগণ চায় ঘটনার সঠিক চিত্র। কিন্তু সে প্রাপ্তি থেকেও জনগণ বঞ্চিত। বর্তমানে যার ১০টা ব্যবসা চলমান রয়েছে সে তার ব্যবসাগুলির নিরাপত্তার জন্য মিডিয়ার ব্যবসাকে হাতে নিয়েছে। যে মিডিয়ার মালিক ভূমি দস্যুতার সাথে জড়িত সেখানে ভূমি দস্যুতার খবর ভিন্নভাবে প্রচারিত হয়। অনুরূপ ব্যাংক লুটের সাথে যারা জড়িত তাদের মালিকানাধীন মিডিয়াতে যা প্রচারিত হয় তাতে প্রকৃত ঘটনার প্রতিফলন হয় না। ফলে সঠিক তথ্য থেকে বঞ্চিত হয় জনগণ। 

“মিথ্যা” যখন কোন জাতিকে ঘিরে ফেলে তখন সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা জনগোষ্টি দ্বারা নির্যাতিত হয় সুবিধাবঞ্চিত লোকেরা জনসংখ্যার দিক থেকে যাদের অধিক্ষ্য অনেক বেশী। “মিথ্যা” তখনই প্রতিষ্ঠিত হয় যখন সত্য বলা যায় না অর্থাৎ গণতন্ত্র থাকে না। ভূমি দস্যুকে ভূমি দস্যু বলা যায় না, ব্যাংক লুটেরাকে লুটেরা বলা যায় না, কারণ দেশ, জাতি ও রাষ্ট্রকে তারাই নিয়ন্ত্রণ করে। 

রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক ও জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যাডভোকেট বাবুসোনার হত্যার রহস্য যদি তার স্ত্রী স্নিদ্দা ভৌমিকের পরকীয়া প্রেমের কাহিনীর মাধ্যমে উৎঘাটিত না হতো তবে যে ভাবে মহাসড়ক বন্ধ করার হুমকি দেয়া হয়েছিল তাতে বিএনপি ও ২০ দলের উপর ষ্টীম রোলার চালানো সরকারের জন্য সহজতর হয়ে যেতো। প্রচার করা হচ্ছিল যে, জাপানী নগরিক কোসিনিও ও মাজারের খাদেম হত্যা মামলার রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী এবং যুদ্ধপরাধী মামলার স্বাক্ষী হওয়ার কারণে গুম করা হয়েছে, সে কারণেই গুমের মামলার তীর তাদের উপরের বর্ষিত হতো যারা সরকারের টার্গেট। প্রচার/অপপ্রচার এতো দ্রুতগতিতে ছড়ায় যা রোধ করা কঠিন হড়ে পরে এবং এ কারণেই মিথ্যার সাগরে জাতি নিমজ্জিত হচ্ছে। আবুল মুনসুর আহাম্মদ প্রনীত ফুড কন্ফারেন্স (Food Conference)  নামক পুস্তকের ১২৪ পৃষ্ঠায় লিখেছেন যে, “মিথ্যা কথার প্রচার দরকার নাই। কারণ মিথ্যা কথা নিজেই প্রচারিত হয়, বিশ্বাসও তা করে সকলেই এবং খুব সহজেই। সত্য কথা কেহ বিশ্বাস করতে চায় না। সত্য কথা যদি সহজ হয় ব্যাপারটা আরো মুশকিল হয়ে যায়।”


প্রতিবাদ বিহীন সমাজে মিথ্যা সহজেই বাসা বাধতে পারে এবং দিনে দিনে তা শিলা পাথড়ের মত শক্ত হয়ে যায়। আমাদের সমাজের অবস্থা হয়েছে অনুরূপ তাই। মানুষ কেন প্রতিবাদ করবে? প্রতিবাদকারীকে কেহ সহযোগীতা করা তো দূরের কথা প্রকাশ্যে সমর্থন পর্যন্ত করতে চায় না। প্রভাবশালী ব্যক্তির অন্যায় কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে বিপদে ফেলায়, গুম খুন করে। নিয়োগকর্তার অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করলে চাকুরী হারাতে হয়, সত্যের পথে নেতার বিরুদ্দাচারণ করলে পদ পদবী নমিনেশন হারাতে হয়, বিচারকের বিরুদ্ধে হক কথা বললে আর কিছু না হউক আদালত অবমাননার আইন ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করবে। রাষ্ট্র যন্ত্রের অবিচার বা মৌলিক অধিকার লঙ্গনের প্রতিবাদে কথা বললে রাষ্ট্র যন্ত্র কাল্পনিক ঘটনা সৃষ্টি করে জেলে ভরে রাখে, এমতাবস্থায় সত্যের পিছনে দাড়ানোর অবস্থা কোথায়? মানুষ যখন সত্য বলতে পারে না, বা সত্য কথা শুনার বা বলার কোন পরিস্থিতি থাকে না তখনই হয় তাকে নিরব দর্শক নতুবা মিথ্যার আশ্রয় নিয়েই বাঁচতে হচ্ছে। মানুষ যখন তার অবস্থান থেকে প্রতিবাদ করতে চায় এবং এ জন্য যখন কারো সমর্থন পাওয়া যায় না তখন হতাশা তাকে ঘিরে ফেলে। 

“সত্য কথা” অনেক নির্মম। এটা বলা বা শোনা বা হজম করা অনেক দুরুহ ব্যাপার। অথচ রাজনীতিবিদ আবুল হোসেন (পাকিস্তান সরকারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী) প্রনীত “ফুড কনফারেন্স” বই এর মর্ম মতে “মিথ্যা কথা” অনেক সহজেই প্রচারিত হয় এবং বর্তমান পেক্ষাপটে এ জন্য কোন শক্র সাধারনত: সৃষ্টি হয় না। সূখের নেশায় আমরা যাহাই করি না কেন সবকিছুর মূলে রয়েছে “ভবিষ্যত বংশ ধরদের” শান্তিতে রেখে যাওয়ার নিশ্চয়তা বিধান করা। এটা আমাদের মানসিক চাহিদা থাকলেও কর্মে প্রমানিত হচ্ছে এর বিপরীত চিন্তা ও চেতনা। ভবিষ্যত বংশধরকে একটি জলন্ত অগ্নিগীরিতে রেখে যাওয়ার সমস্ত প্রস্ততিই আমরা সমাপ্ত করেছি। সূখের নেশায় প্রতি ঘরে ঘরে নেশা ডুকে গিয়েছে। রেইনট্রী হোটেলের ঘটনা সহ অনেক ঘটনা প্রমাণ করে যে, অভাবের তাড়নায় নয় বরং লাগামহীন অপচয় থেকে ধনীক শ্রেণী দ্বারাই নানাবিধ অপরাধ প্রবনতা প্রসারিত হচ্ছে। এর প্রধান কারনও মানুষের “মিথ্যার” পিছনে মানুষের ছুটে চলা। মিথ্যা অভিজাত্যও এক ধরনের নেশা। এ নেশায় ধনীক শ্রেণীর ঘরে ঘরে অশান্তি, যা থেকে আত্মহত্যার ঘটনার ঘটছে যা নিছক অভাব থেকে নয় বরং মিথ্যার পিছনে ধাবমানরত দূর্ভাগা লোকেরা। 

সত্য মিথ্যার ব্যবধান মানুষ তাৎক্ষনিক উপলব্দি করতে পারে না, যখন উপলব্দি আসে তখন আর শোধরানের সময় থাকে না। রাষ্ট্র যন্ত্র সহ গোটা জাতির নিয়ন্ত্রকেরা যে ভাবে মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করছে তার পরিনতি কি হতে পারে তাও উপলব্দি হচ্ছে না।          

পোস্টটি লিখেছেন- তৈমূর আলম খন্দকার, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।      
সুপ্রিয় পাঠক, পোস্টটি সম্পর্কে আপনার কোন মতামত থাকলে নিচে মন্তব্যের ঘরে জানাতে পারেন। এছাড়া আমাদের ব্লগে লিখতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

COMMENTS

BLOGGER
নাম

অদ্ভুতুড়ে টক,2,অর্থ ও বাণিজ্য,3,আইন আদালত,22,আইন যোদ্ধা,1,আইন শৃঙ্খলা,1,আদালতে হাতেখড়ি,5,আফসার হাসান,2,ইতিহাস ও ঐতিহ্য,3,ইসলাম,2,ঈমান,1,উপন্যস,2,এডভোকেট আজাদী আকাশ,57,এডভোকেট আনিসুর রহমান,4,এডভোকেট খোরশেদ আলম,1,এন্ড্রয়েড,1,কবিতা,19,কাজী নজরুল ইসলাম,2,খেলাধুলা,1,গল্প,8,জীবনানন্দ দাস,1,তাবলীগ জামাত,1,তৈমূর আলম খন্দকার,6,দেওয়ানী আইন,9,ধর্মীয় টক,9,নারী অধিকার,1,নির্বাচন,3,নির্বাচিত টক,14,নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী,1,প্রকৃতি,1,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,1,ফৌজদারি আইন,16,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,6,বিনোদন,2,বিবাহ,1,বিশেষ টক,7,ব্লগ,1,ভ্রমণ টক,2,মুক্ত টক,1,মোঃ মুঞ্জুরুল ইসলাম,1,যৌতুক,1,যৌন নির্যাতন,1,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,3,রম্যরচনা,1,রাজনীতি,11,রীট,1,রুদ্র রায়হান,9,রুবেল রানা,1,রেসিপি,2,লাইফস্টাইল,2,শিক্ষা,4,সম্পাদকীয় টক,16,সাহিত্য,22,সুকুমার রায়,3,স্বাস্থ্য টক,4,
ltr
item
Talkative Bangla- এসো বাংলায় মাতি উল্লাসে | বাংলা সোস্যাল ব্লগ সাইট : প্রতিবাদহীন সমাজে “মিথ্যাই” সত্যের ভূমিকা পালন করে
প্রতিবাদহীন সমাজে “মিথ্যাই” সত্যের ভূমিকা পালন করে
https://3.bp.blogspot.com/-A4kPA8rJGGc/XDOMAsCmR-I/AAAAAAAABWw/iC5_77sAFewDt-lMcBTXQ851FnHoILiggCPcBGAYYCw/s1600/talkative%2Bbangla.jpg
https://3.bp.blogspot.com/-A4kPA8rJGGc/XDOMAsCmR-I/AAAAAAAABWw/iC5_77sAFewDt-lMcBTXQ851FnHoILiggCPcBGAYYCw/s72-c/talkative%2Bbangla.jpg
Talkative Bangla- এসো বাংলায় মাতি উল্লাসে | বাংলা সোস্যাল ব্লগ সাইট
https://www.talkativebangla.com/2019/01/politics.html
https://www.talkativebangla.com/
https://www.talkativebangla.com/
https://www.talkativebangla.com/2019/01/politics.html
true
4497219040230755502
UTF-8
সকল পোস্ট লোড হয়েছে কোন পোস্ট পাওয়া যায়নি সব দেখুন বিস্তারিত পড়ুন Reply Cancel reply Delete By প্রথম পাতা বাকিটুকু পরবর্তী পাতায় দেখুন POSTS সব দেখুন আপনার জন্য আরও টক টক বিভাগ ARCHIVE আপনি খুজছেন সকল টক আপনার অনুরোধ অনুযায়ী কোন পোস্ট পাওয়া যায়নি। দয়া করে অন্যভাবে চেষ্টা করুন অথবা প্রথম পাতায় ফিরুন Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS CONTENT IS PREMIUM Please share to unlock Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy