$type=ticker$count=12$cols=4$cate=0

আদালতে হাতেখড়ি (১ম পর্ব): বিভিন্ন আদালত পরিচিতি

সবারই স্বপ্ন থাকে বড় হয়ে একটি সন্মানজনক পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করে ক্যারিয়ারকে উজ্জল করার। বাংলাদেশে যতগুলো আত্মনির্ভরকেন্দ্রিক ও সম্মানজন...



সবারই স্বপ্ন থাকে বড় হয়ে একটি সন্মানজনক পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করে ক্যারিয়ারকে উজ্জল করার। বাংলাদেশে যতগুলো আত্মনির্ভরকেন্দ্রিক ও সম্মানজনক পেশা রয়েছে তার মধ্যে আইন পেশা হলো সবার পরিচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশা। এই পেশাকে রয়্যাল বা রাজকীয় পেশাও বলা হয়ে থাকে।শতাব্দীর পর শতাব্দী আইন পেশা স্বীকৃত হয়ে আসছে সম্মান ও ঐতিহ্যের পেশা হিসেবে।  এ পেশায় এসে একজন ব্যক্তি যেমন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন, তেমনি সমাজে সবার কাছে নিজেকে উপস্থাপন করারও সুযোগ পেয়ে থাকেন। সমাজ গঠনে অনস্বীকার্য ভূমিকা রাখার জন্য আইনজীবীদেরকে সোস্যাল ডক্টর বা সামাজিক ডাক্তার হিসেবেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।এই পেশার গুরুত্ব অনুধাবন করে বর্তমান প্রজন্মের এই পেশায় নিজের ক্যারিয়ার গড়ার আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আইনজীবী হওয়ার যে স্বপ্ন নিয়ে একজন তরুণ বা তরুণী আইন পড়া শেষে আদালত অঙ্গনে পা রাখে, কঠিন বাস্তবতার চোরাবালিতে সেই স্বপ্ন ধীরে ধীরে বিলীন হতে থাকে।আশানুরুপ ফল না পাওয়ায় হতাশা আর ধৈর্য্যহারা হয়ে ছিটকে পড়েন এই পেশা থেকে। এর পিছনে ছোট বড় অনেকগুলো কারণ থাকলেও মূলতঃ আদালত পাড়ায় এসে কি করবো, কিভাবে করবো, কোথা থেকে শুরু করবো ইত্যাদি বিষয়গুলো সম্পর্কে দ্বিধা দ্বন্বে পড়ে যাওয়াও অন্যতম একটি কারণ। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় বা ল কলেজগুলোতে আইনের তাত্ত্বিক বিষয়ের উপর শিক্ষা দেওয়া হয়। কিন্তু আদালত পাড়ায় ওকালতি জীবন শুরু করতে এসে সবকিছু নতুন মনে হয়।কারণ এখানে তাত্তিক জ্ঞানের চেয়ে বেশি প্রয়োজন পড়ে ব্যবহারিক জ্ঞানের যেটি বিশ্ববিদ্যালয় বা ল কলেজগুলোতে শেখানো হয় না।তাই বর্তমান প্রজন্ম  আইনজীবী হওয়ার যে মহৎ স্বপ্ন নিয়ে  আদালত পাড়ায় পা রাখে তাদের সেই মহৎ স্বপ্ন পূরণে নিবিঘ্নে কাজ করে যেতে পারে সে জন্যই আমার এই ক্ষুদ্র আয়োজন। আমি চেষ্টা করবো এই লেখার মাধ্যমে আদালতের ব্যবহারিক কাজগুলো এমনভাবে শিখিয়ে দেওয়ার যেন সবার মনে হয় যে তারা হাতেকলমে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।
[post_ads]
আজ আমরা বিভিন্ন আদালতের পরিচিতি সম্পর্কে জানবো যেটি ওকালতি শুরু করার ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ।

একজন শিক্ষানবিশ আইনজীবীর প্রথম কাজ হবে আদালত অঙ্গনে পা রাখার পর ঐ আদালত সম্পর্কে ভালভাবে অবগত হওয়া। আমি যেটি বুঝাতে চাচ্ছি সেটি হলো কোন আদালতের অবস্থান কোথায়, কোন আদালতে ফৌজদারি মামলা দায়ের করতে হয়, কোন আদালতে দেওয়ানী মামলা ও পারিবারিক মামলা দায়ের করতে হয়, কোন আদালতে অর্থঋণ মামলা দায়ের করতে হয় বা কোন আদালতে ১৪৫/১০৭ ইত্যাদি ধারার মামলা দায়ের করতে হয় ইত্যাদি সম্পর্কে একজন শিক্ষানবিশ আইনজীবীর অবশ্যই প্রথমে ভালভাবে আয়ত্ব করতে হবে।

আমি যেহেতু ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী, সেহেতু ঢাকা জজ কোর্ট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

কোর্টের অবস্থান
ঢাকা জজ কোর্টে বর্তমানে মোটামুটি ৭ টি ভবন আছে যেখানে বিচারকার্য্য পরিচালিত হয়ে থাকে। ঢাকা জজ কোর্টের উত্তরপাশের ১০ তলা বিল্ডিংটা হলো মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত। এই কোর্টটি সাধারণত সি.এম.এম কোর্ট নামে পরিচিত। সি.এম.এম অর্থ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।এখানে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে অনেকগুলো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত রয়েছে যেগুলোকে ১, ২, ৩ এভাবে সিরিয়াল করা হয়েছে। মহানগর এলাকার সকল মামলা এই সব আদালতে দায়ের করা হয়।

সি.এম.এম কোর্টের ঠিক সামনে আরেকটি নতুন ১০ তলা ভবণ নির্মিত হয়েছে যেটিকে বলা হয় চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট। যদিও এখনো এই ভবনে বিচার কার্য পরিচালনা শুরু হয়নি। এখন মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাশের টিনশেড ভবনে অস্থায়ীভাবে এজলাস তৈরি করে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কাজ  করা হচ্ছে।এখানে একজন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে অনেকগুলো জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিচারকার্য্য পরিচালনা করে থাকেন। এইসব আদালতে মহানগরের বাইরের এলাকার মামলা দায়ের ও বিচার কার্য্য পরিচালনা করা হয়।
[post_ads_2]
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নতুন ভবনের সামনে রয়েছে ডিসি বিল্ডিং। ডিসি বিল্ডিং এর উত্তর পাশের তিন তলায় বেশ কয়েকটি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রয়েছে। মুলতঃ সি.এম.এম কোর্টে স্থান সংকুলান না হওয়ায় কিছু এজলাস এখানে করা হয়েছে। এছাড়া ডিসি বিল্ডিংয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ বসেন। এই ভবনে নামজারী বিষয়ক মিস আপীল, মোবাইল কোর্টের মামলা, ১০৭ ধারা ও ১৪৫ ধারার মামলা ইত্যাদি দায়ের ও উহার বিচার কার্য পরিচালনা করা হয়ে থাকে।

ডিসি বিল্ডিংয়ের পরে রয়েছে জেলা জজ আদালতের ৮তলা বিশিষ্ট নতুন বিল্ডিং। এই বিল্ডিংয়ে ঢাকা জেলার সকল দেওয়ানী, অর্থঋণ ও পারিবারিক মামলা দায়ের ও বিচার করা হয়। এছাড়া ঢাকা মহানগরী এলাকার বাইরের এলাকাধীন সকল ফৌজদারি মামরার (যে মামলার বিচার করার এখতিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের নেই) বিচার পরিচালনা করা হয়।এই আদালতের প্রধান হলেন জেলা ও দায়রা জজ।জেলা ও দায়রা জজের অধীনে অনেকগুলো অতিরিক্ত এবং  যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, সহকারী জজ ও সিনিয়র সহকারী জজ থাকেন।


জেলা জজের নতুন বিল্ডিংয়ের পর জেলা জজের ৫তলা বিশিষ্ট পুরাতন বিল্ডিং রয়েছে। এই বিল্ডিংয়ে ঢাকা জেলার সকল দেওয়ানী, অর্থঋণ ও পারিবারিক মামলা দায়ের ও বিচার করা হয়।মুলতঃ এই বিল্ডিংটাই আগে জেলা জজ আদালত হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু এখানে স্থান সংকুলান না হওয়ায় জেলা জজ নতুন বিল্ডিং তৈরি করা হয়েছে।

ঢাকা জজ কোর্টের সর্ব দক্ষিণে রয়েছে ৬ তলা বিশিষ্ট মহানগর দায়রা জজ আদালত। এই আদালতের প্রধান হলেন মহানগর দায়রা জজ। মহানগর দায়রা জজের অধীনে অনেকগুলো অতিরিক্ত এবং যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ এবং বিশেষ জজ থাকেন। এই বিল্ডিংয়ে শুধুমাত্র ফৌজদারি অপরাধের বিচার করা হয়। এই বিল্ডিংয়ে  সাইবার ট্রাইবুন্যাল, দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল, পরিবেশ আপীল আদালতসহ অনেকগুলো নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল ও বিশেষ জজ আদালত রয়েছে।

ঢাকা আইনজীবী ভবন সংলগ্ন মসজিদের পাশে আরেকটি ভবন রয়েছে যার নাম রেবতি ম্যানশন।এই ভবনটিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল, বিশেষ জজ আদালত ও দেওয়ানী আদালত রয়েছে।

একজন শিক্ষানবিশ আইনজীবীর জন্য অত্যাবশ্যকীয় কাজ হলো কোন আদালত কোন ভবনে রয়েছে এবং ঐ ভবনে আর কি কি আছে, কোথায় কি কাজ হয় ইত্যাদি সম্পর্কে শুরুতেই জেনে নেয়া। আজ এ পর্যন্তই। আগামী পোস্টে কজ লিস্ট কত ধরণের ও কিভাবে দেখতে হয়, হাজিরা বা পিটিশন কিভাবে লিখতে হয় ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
  • [accordion]
    • লেখক সম্পর্কে জানুন
      • পোস্টটি লিখেছেন- [ মোঃ আজাদুর রহমান ##pencil##] তিনি টকেটিভ বাংলার এডমিন ও সম্পাদক। পেশাগত জীবনে তিনি আইনজীবী হিসেবে ঢাকা জজ কোর্টে কর্মরত আছেন।
    • সাধারণ নোটিশ
      • টকেটিভ বাংলা ব্লগের সকল সম্মানিত লেখককে এই মর্মে জানানো যাচ্ছে যে, অত্র ব্লগে কোন ধরণের কাট-কপি-পেস্ট লেখা প্রকাশ করা হবে না। কোন লেখা কাট-কপি-পেস্ট প্রমাণিত হলে ঐ লেখা কোন ধরণের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই মুছে দেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট লেখকের কোন পোস্ট পরবর্তীতে অত্র ব্লগে প্রকাশ করা হবে না।
    • লিখুন এবং উপার্জন করুন
      • টকেটিভ বাংলায় আপনাকে স্বাগতম! টকেটিভ বাংলায় মান সম্মত লেখা জমা দিয়ে খুব সহজেই আয় করতে পারেন। টকেটিভ বাংলা বিশ্বাস করে প্রত্যেক ব্যক্তির মধ্যেই মেধা রয়েছে। এখন প্রয়োজন হলো সেই মেধার বিকাশ ঘটানো। মেধাকে লুক্কায়িত না রেখে বিশ্বের মাঝে ছড়িয়ে দিলে দেশ ও জাতির উন্নয়ন ও কল্যাণ হবে। টকেটিভ বাংলা মেধা বিকাশের সেই সুযোগটিই করে দিচ্ছে। পাশাপাশি লেখকদের নিজের পরিচিত বাড়িয়ে তোলা ও প্রতি কন্টেন্টের জন্য টাকা উপার্জনের সুযোগ করে দিচ্ছে। তাই আপনার মাথায় যদি গিজগিজ করে নিত্যনতুন আইডিয়া, চিন্তা, চেতনা তাহলে ঝড় তুলুন কী-বোর্ডে।

        টকেটিভ বাংলা থেকে আয় করতে হলে নিচের শর্তাবলী মেনে চলতে হবে-

        ১। আপনাকে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিতে হবে এবং নিজের প্রোফাইল থেকে কমপক্ষে ১০০ জন ফেসবুক ফ্রেন্ডকে আমাদের ফেসবুক পেইজের (টকেটিভ বাংলা) ইনভাইটেশন পাঠাতে হবে। (বাধ্যতামূলক না তবে এর মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তুলে ধরতে পারবো)।

        ২। এরপর সাইটে ভিজিট করে কম পক্ষে ৫ টি লেখা নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করতে হবে ও সেগুলোতে গঠন মূলক কমেন্ট করতে হবে। (বাধ্যতামূলক না, তবে এর মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তুলে ধরতে পারর। আর এই ক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা কাম্য।)

        ৩। প্রথমে টকেটিভ বাংলা সাইট টি ভিজিট করে আমাদের প্রকাশিত কন্টেন্ট সম্পর্কে আইডিয়া নিতে হবে। এরপর ৫০০-৭০০ শব্দের  ১টি সম্পূর্ণ মৌলিক, কপি-পেস্ট বিহীন কন্টেন্ট আমাদের ওয়েবসাইটে পাঠাতে হহবে। লেখাটির মান ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা স্বাপেক্ষে প্রকাশিত হবে। কোন লেখা কপি-পেস্ট বলে প্রমাণিত হলে তাকে টকেটিভ বাংলা থেকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে। প্রথম কন্টেন্ট যাচাইয়ের জন্য নেয়া হবে। লেখার বিষয়বস্তু আপনি নিজে পছন্দ করতে পারবেন।

        ৪। ২য় লেখা থেকে আপনি পেমেন্টের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন। লেখার মান অনুযায়ী প্রতি লেখার জন্য  ৫০ টাকা পাবেন এবং ১০ টি লেখা পেমেন্ট এর জন্য বিবেচিত না হওয়া পর্যন্ত পেমেন্ট এর জন্য অনুরোধ করতে পারবেন না।  কোন পোস্ট  প্রকাশিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নূন্যতম ১০ টি পজিটিভ ভোট প্রাপ্ত না হলে উক্ত পোস্ট পেমেন্ট এর জন্য বিবেচিত হবে না। বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট প্রদান করা হবে।

        ৫। এছাড়া একজন নিয়মিত লেখককে টকেটিভ বাংলায় প্রকাশিত নিজের লেখা+অন্য লেখাদের কমপক্ষে ৪ টা লেখা সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুকে শেয়ার দিতে হবে। তাছাড়া ওয়েব  সাইটে নিয়মিত গঠনমুলক মন্তব্য করতে হবে।

        ৬। দেশের প্রচলিত আইনের বিরোধী, কোন বিশেষ ধর্ম, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অথবা দেশকে কটাক্ষ করে কিছু লেখা যাবে না। এ ধরণের লেখা প্রকাশিত হবে না।

        ৭। একটি পোস্ট নূন্যতম ৫০০ শব্দের না হলে সেই পোস্ট পেমেন্ট পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবে না।

        ৮। কোন কবিতার ক্ষেত্রে সর্ব নিম্ন ১৪ লাইনের কবিতা না হলে এবং নূন্যতম ১৪ টি পজিটিভ ভোট ও ১৪ টি মন্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত উক্ত কবিতা পেমেন্ট এর জন্য মনোনীত হবে না।

        ৯। কোন কপি, পেস্ট করা পোস্ট বা ভুল তথ্য সম্বলিত পোস্ট পেমেন্ট পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবে না।

        ১০। টকেটিভ বাংলা ব্লগে লেখার নিয়ম, নীতিমালা ও শর্তাবলী বহির্ভূত কোন পোস্ট পেমেন্ট পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবে না। (টকেটিভ বাংলা ব্লগের নীতিমালা ও শর্তাবলী)

        ১১। পোস্টে অন্য কোথাও থেকে উদ্বৃতি দিতে হলে অবশ্যই রেফারেন্সসহ দিতে হবে।

        ১২। একজন লেখকের নূন্যতম ১০টি পোস্ট পেমেন্ট এর জন্য মনোনীত হলেই কেবল তিনি “রিওয়ার্ড ক্লেইম ফর্ম” পূরণ করে টকেটিভ বাংলা কর্তৃপক্ষের নিকট পেমেন্ট এর জন্য অনুরোধ করতে পারবেন।

        ১৩। একজন লেখক পেমেন্ট পাওয়ার যোগ্য হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে “রিওয়ার্ড ক্লেইম ফর্ম” পূরণ করে টকেটিভ বাংলা কর্তৃপক্ষের নিকট পেমেন্ট  এর দাবি না করলে তার সমস্ত পেমেন্ট বাতিল বলে গণ্য হবে।

        ১৪। কোন পোস্ট টকেটিভ বাংলায় জমা দেওয়ার সময় ৫ সংখ্যার একটি ইউনিক কোড এবং জন্ম তারিখসহ প্রয়োজনীয় তথ্যাদি প্রদান করতে হবে। এই ইউনিক কোডটি প্রতিটি পোস্টের ক্ষেত্রে সব সময় একই থাকবে। পৃথক পৃথক পোস্টের জন্য পৃথক পৃথক ইউনিক কোড ব্যবহার করা যাবেনা। এই ইউনিক কোডটি লেখককে সংরক্ষণ করতে হবে। কারণ পেমেন্ট ক্লেইম করার সময় এই ইউনিক কোডটি প্রয়োজন হবে। ইউনিক কোডটি অন্যের নিকট শেয়ার করা যাবে না।

        ১৫। উপরের সকল শর্তাবলীর কোন একটি না মানলেও পোস্টটি প্রকাশিত হতে পারে। তবে সেই পোস্টটি পেমেন্ট এর জন্য মনোনীত হবে না।

        সাইটের বিষয়ে লেখক ও পাঠকদের যেকোন গঠনমূলক সমালোচনা, মতামত সাদরে গৃহীত হবে। এ সাইট আপনাদের, একে এগিয়ে নেবার দায়িত্ব আপনাদেরই।


        বিঃদ্রঃ পূর্ব  নোটিশ ছাড়াই উপরোক্ত শর্তাবলী যেকোন সময় টকেটিভ বাংলা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংশোধিত, পরিবর্তিত বা সংযোজিত হতে পারে।
    • আমাদের কথা
      • অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং অনেক জীবনের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি এই বাংলা। পেয়েছি বাংলা ভাষা। তাই বাংলাদেশ ও বাংলা ভাষার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাবোধ হৃদয়ের গভীর থেকে। আমরা আবেগ-অনুভূতি-চিন্তা-চেতনায় ক্রমাগত মাটির গন্ধ খুঁজে বেড়াই। গন্ধ খুঁজে পার্থক্য করি বেলে-দোআঁশ-কাঁদা-পলি মাটি। এই মাটির সোঁদা গন্ধে আমাদের বেড়ে ওঠা। আমাদের কণ্ঠ মাটির কথা বলে, আমাদের কণ্ঠ এই মাটির সবুজ প্রকৃতির কথা বলে, আমাদের কণ্ঠ মাটিকে ভালবাসতে বলে। আমরা লালন করি একুশের চেতনা, আমরা লালন করি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। ধর্ষিতা বোনের শাড়ি আমাদের পবিত্র স্মৃতি। ৩০ লক্ষ শহীদ আমাদের পথের দিশারী। তাঁদের অসমাপ্ত পথ সমাপ্ত করার জন্য আমাদের জন্ম। লাল সবুজের পতাকার প্রতি আমরা সদা অবনত। আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা অসুন্দরের বিপক্ষ শক্তি, অন্যায়ের বিপক্ষ শক্তি, স্বাধীনতার শত্রুদের বিপক্ষ শক্তি। আমরা প্রগতির পক্ষে, আমরা অন্ধ গোঁড়ামির বিপক্ষে।  আমরা গল্প করবো, আড্ডা দেব, তর্ক করবো, বিতর্ক করবো। আমরা প্রস্তাব দেব, আলোচনা করবো। আমরা যুক্তির কথা বলবো, আমরা গণমানুষের মুক্তির কথা বলবো।

        তবে সবই হবে বাংলায়, একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে। আমরা স্বাধীনভাবে  বলবো কিন্তু বাধাহীনভাবে নয়। আমরা সত্যের সন্ধানে দান্দিক হবো। বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবো। এই মাটির প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি পালনে দৃঢ় থাকবো। আমরা কোনো কর্তৃপক্ষ নই, এই বাংলার প্রতিটি মানুষের সুন্দর স্বপ্ন নিয়েই আমরা। চর্যাপদের বুভুক্ষু পা আমরা, সুকান্ত’র চাঁদে ঝলসানো রুটি খোঁজা মানুষ আমরা। আমরা জসিম উদ্দিনের নকশী কাথার মাঠ। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কারিগর আমরা। হাজার বছরের বাঙালিয়ানা নিয়ে আমাদের পথ চলা। শুভ হোক ব্লগীং।

COMMENTS

BLOGGER
নাম

অদ্ভুতুড়ে টক,2,অর্থ ও বাণিজ্য,3,আইন আদালত,23,আইন যোদ্ধা,1,আইন শৃঙ্খলা,1,আদালতে হাতেখড়ি,5,আফসার হাসান,2,ইতিহাস ও ঐতিহ্য,3,ইসলাম,2,ঈমান,1,উপন্যস,2,এডভোকেট আজাদী আকাশ,57,এডভোকেট আনিসুর রহমান,7,এডভোকেট খোরশেদ আলম,1,এন্ড্রয়েড,1,কবিতা,22,কাজী নজরুল ইসলাম,2,খেলাধুলা,1,গল্প,8,জীবনানন্দ দাস,1,তাবলীগ জামাত,1,তৈমূর আলম খন্দকার,6,দেওয়ানী আইন,10,ধর্মীয় টক,9,নারী অধিকার,1,নির্বাচন,3,নির্বাচিত টক,14,নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী,1,প্রকৃতি,1,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,1,ফৌজদারি আইন,16,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,7,বিনোদন,2,বিবাহ,1,বিশেষ টক,7,ব্লগ,1,ভ্রমণ টক,2,মুক্ত টক,1,মোঃ মুঞ্জুরুল ইসলাম,1,যৌতুক,1,যৌন নির্যাতন,1,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,3,রম্যরচনা,1,রাজনীতি,11,রীট,1,রুদ্র রায়হান,9,রুবেল রানা,1,রেসিপি,2,লাইফস্টাইল,2,শিক্ষা,4,সম্পাদকীয় টক,16,সাহিত্য,25,সুকুমার রায়,3,স্বাস্থ্য টক,4,
ltr
item
Talkative Bangla- এসো বাংলায় মাতি উল্লাসে | বাংলা সোস্যাল ব্লগ সাইট : আদালতে হাতেখড়ি (১ম পর্ব): বিভিন্ন আদালত পরিচিতি
আদালতে হাতেখড়ি (১ম পর্ব): বিভিন্ন আদালত পরিচিতি
https://3.bp.blogspot.com/-sgjXVpbS5Ug/XFnGpkbNLbI/AAAAAAAABlo/xHlEGJdpIVQIxXt1yF6iZ8AtNgyJ1NW6QCLcBGAs/s1600/legalvoicebd.jpg
https://3.bp.blogspot.com/-sgjXVpbS5Ug/XFnGpkbNLbI/AAAAAAAABlo/xHlEGJdpIVQIxXt1yF6iZ8AtNgyJ1NW6QCLcBGAs/s72-c/legalvoicebd.jpg
Talkative Bangla- এসো বাংলায় মাতি উল্লাসে | বাংলা সোস্যাল ব্লগ সাইট
https://www.talkativebangla.com/2019/02/Law-and-Court-introduction-of-court.html
https://www.talkativebangla.com/
https://www.talkativebangla.com/
https://www.talkativebangla.com/2019/02/Law-and-Court-introduction-of-court.html
true
4497219040230755502
UTF-8
সকল পোস্ট লোড হয়েছে কোন পোস্ট পাওয়া যায়নি সব দেখুন বিস্তারিত পড়ুন Reply Cancel reply Delete By প্রথম পাতা বাকিটুকু পরবর্তী পাতায় দেখুন POSTS সব দেখুন আপনার জন্য আরও টক টক বিভাগ ARCHIVE আপনি খুজছেন সকল টক আপনার অনুরোধ অনুযায়ী কোন পোস্ট পাওয়া যায়নি। দয়া করে অন্যভাবে চেষ্টা করুন অথবা প্রথম পাতায় ফিরুন Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS CONTENT IS PREMIUM Please share to unlock Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy