$type=ticker$count=12$cols=4$cate=0

বিয়ে কি শুধুই চুক্তি? : প্রেক্ষিত পরকিয়া

ইসলামে বিয়েকে পবিত্র বন্ধন হিসেবে মনে করা হয় যা দুজন বিপরীত লিঙ্গের মানুষকে একত্র করে। জন্ম দেয় ভালোবাসা, আস্হা, অনুভূতি কিংবা পরস্...



ইসলামে বিয়েকে পবিত্র বন্ধন হিসেবে মনে করা হয় যা দুজন বিপরীত লিঙ্গের মানুষকে একত্র করে। জন্ম দেয় ভালোবাসা, আস্হা, অনুভূতি কিংবা পরস্পর নির্ভরশীলতা।ইসলাম বিয়েকে কখনোই শুধু যৌনতার ছাড়পত্র হিসেবে দেখেনা বরং নৈতিকতার ভিত্তি হিসেবে দেখে যা একটা পরিবারকে নৈতিকতা আর মূল্যবোধের বিদ্যাপিঠে রুপান্তরিত করে।হিন্দু ধর্মেও বিয়েকে ধর্মীয় সেক্রামেন্ট বা পবিত্র কর্ম হিসেবে দেখা হয়। বিয়েকে কোন ধর্মই শুধুই চুক্তি মনে করেনা যতোটা বিধিবদ্ধ আইনে মনে করা হয়। এজন্যই মনে করা হয়না কারণ চুক্তিতে উভয় পক্ষই আপন স্বার্থের জন্য সদা তৎপর থাকে কিন্তু বিয়েতে স্বামী-স্ত্রী দুজন দুজনার স্বার্থান্বেষী নয় বরং একে অপরের পরিপূরক। কেননা পবিত্র কোরআনে স্বামী স্ত্রীকে পরস্পরের পোশাক-পরিচ্ছদ বলা হয়েছে। অর্থাৎ পোশাক ছাড়া যেমন চলাচল সম্ভব নয় তেমনি দাম্পত্য জীবনে স্বামী স্ত্রীকে ছাড়া কিংবা স্ত্রী স্বামীকে ছাড়া চলতে পারেনা।একজন সাবালক ছেলে বা মেয়ে যেমন নিজের পোশাকখানা সুন্দর রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করে,কোথাও ময়লা লাগতে দেয়না;স্বামী-স্ত্রীও তেমনি পরস্পররের সম্পর্কে কোনো ধুলো লাগতে দিবেনা।কিন্তু সমকালে বৈবাহিক সম্পর্কগুলো দেখে মনে হয় এটা যেন শুধুই চুক্তির সম্পর্ক যে যখন ইচ্ছা গড়লাম আবার খেলাঘরের মতো ভেঙ্গে দিলাম।
[post_ads]
বিয়েটা কোনভাবেই শুধুই চুক্তি নয়।চুক্তিতে কোনো পক্ষ কোনো শর্ত লঙ্ঘন করলে ক্ষতিপূরণ দিয়ে পার পাওয়া যেতে পারে কিংবা চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটানো যায় কিন্তু বিয়েটা পবিত্র এবং প্রেমময় বন্ধন যেখানে ক্ষতিপূরণের প্রশ্ন আসার কথা নয় এমনকি অর্ধাঙ্গ বা অর্ধাঙ্গীর কোন একজন অনেক বড় বড় অমার্জিত ভুল করলেও। কারণ এ বন্ধন যে ভালোবাসা আর আবেগের জন্ম দেয় তার কাছে হিমালয়সম ভুলও তুচ্ছ হয়ে যায়। আবার কখনো কখনো তিল সমান বিশ্বাসঘাতকতাও বিষিয়ে তুলে সমগ্র জীবন; বন্ধনটা হয়ে পড়ে গলার কাঁটা। এর জন্য কি কোন ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট?

স্বামী বা স্ত্রী যদি পরকিয়ায় লিপ্ত হন সেটার সমাধান কি ক্ষতিপূরণে সম্ভব? কিংবা সেপারেশন বা বিচ্ছেদে সম্ভব- যখন লক্ষ-কোটি টাকার মোহরানার "টাইম বোমা" স্বামীর গলায় ঝুলে? 

বিচ্ছেদ হয়তো সমাধান কিন্তু হাদিসে দুটো বৈধ কাজকে নিকৃষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে- ১। ভিক্ষাবৃত্তি ২। বিবাহ বিচ্ছেদ।প্রকৃতপক্ষে বিয়ে চুক্তি থেকে অনেক উর্ধ্বে কারণ বিয়ে স্রষ্টার এ বিশ্বব্রহ্মান্ড সৃষ্টির মহৎ উদ্দেশ্যকে ত্বরান্বিত করে।সুতরাং স্বামী বা স্ত্রীর একে অপরকে চিট, বিশ্বাসঘাতকতা কিংবা অসম্মানের মানসিকতায় স্রষ্টা মোটেও খুশি হন না।এ বন্ধন দৃঢ় হওয়া চাই প্রেম, ভালোবাসায়, আবেগে, শ্রদ্ধায়, বিশ্বস্হতায়, পরস্পরনির্ভরতায় এবং খুঁনসুটিতে। যাতে এ বন্ধনকে, গার্সিয়া মার্কোসের ভাষায়, মৃত্যুও ছিন্ন করতে না পারে।কিন্তু ডিভোর্স দেয়াটা এখন একটা ফ্যাশনে রুপান্তরিত হয়েছে যদিও এর পিছনে নানা কারণ রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা যায়। প্রথম আলোর এক রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে ঢাকা শহরে প্রতিঘন্টায় একটা করে বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা ঘটছে! যতো ঘটনা বা কারণই থাকুকনা কেন- এটা আমাদের সমাজব্যবস্থার জন্য ইতিবাচক নয়।
[post_ads_2]
বিচ্ছেদ তখনই সম্ভব যখন তিক্ততার পারদ উঠে চরমে কিংবা আস্হা বা বিশ্বাসের ভিত হয় নড়বড়ে অথবা দুজোড়া চোখে একই স্বপ্নের সৌধ বিনির্মাণের সাধ আর খেলা করেনা! কিন্তু এগুলোই কি একমাত্র কারণ? আমরা কি আমাদের সংস্কৃতিকে নিয়ে কখনো ভেবেছি? আমাদের সংস্কৃতি এখন ভিনদেশী কুসংস্কার কিংবা কুসংস্কৃতির চাকায় যে প্রতিনিয়ত পিষ্ট হচ্ছে- সেটা নিয়ে আমরা কতজন সচেতন? সুস্পষ্ট করে বললে ভারতীয় পরকিয়া নির্ভর সিরিয়ালে ভরে গেছে আমাদের বিনোদনের মাধ্যমগুলো। প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোও আমাদের যত্নে গড়া সম্পর্কগুলোতে আগাছা হয়ে উঠছে প্রতিনিয়ত। ভার্চুয়াল জগতের তাড়নায় আমরা অসম্মান করছি আত্মিক সম্পর্কগুলোকে। বিজ্ঞান আমাদের বেগ বাড়িয়ে আবেগ কেড়ে নিচ্ছে প্রতিমুহূর্ত। প্রাথমিক কিংবা মাধ্যমিক স্কুলের ছেলেমেয়েদের হাতে বাবা- মায়েরা তুলে দিচ্ছে স্মার্টফোন কিংবা আইফোন। ফলে ছোট বয়স থেকেই ওরা বিপথে যাওয়ার সুযোগটা পেয়ে যাচ্ছে। আমরা নিজেরা এ ব্যাপারে কতটা সচেতন? বাবা- মা কিংবা বড় ভাই-বোন হিসেবে আমরা কতটুকু প্রস্তুত আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সচেতন করতে? আমরা কি তাদের পারিবারিক শিক্ষা, নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধের শিক্ষা দিয়ে গড়ে তুলতে পারছি? যদি না পারি তাহলে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের কাছে "সম্পর্কের" মূল্য হবে কলাহীন ছোলার মতো। বিবাহের মতো পবিত্র বন্ধনগুলো হয়ে পড়বে তথাকথিত চুক্তি। ফলে বাড়বে বিশ্বাসঘাতকতা কিংবা বিচ্ছেদ!

সম্পর্কের মূল্যকে যতোদিন আমরা যান্ত্রিক মন নিয়ে মূল্যায়ন করব; যতোদিন লেনদেনের নিক্তিতে পরিমাপ করবো, সামাজিক এবং আত্মিক বন্ধনগুলো ঠুনকো থেকে ঠুনকোতর হতে থাকবে ততোদিন! ডা: আকাশের মতো সম্ভাবনাময় তরুনরা রুপান্তরিত হতে থাকবে জাতীয় দীর্ঘশ্বাসে!
[post_ads]
যুক্তির খাতিরে বিয়েকে যদি শুধুই চুক্তি ভাবিও, সেখানে কোনপক্ষের ব্যাভিচার স্পষ্টতই সে চুক্তির লঙ্ঘণ। কিন্তু আমাদের দেশীয় আইন যখন কোন একটা "নির্দিষ্ট " পক্ষকে সে লঙ্ঘনের ( ব্যাভিচার) দায় থেকে অব্যাহতি দেয় (ধারা ৪৯৭, দন্ডবিধি) তখন এটা আইনের দ্বিচারিতা বা দ্বিমুখিতা বৈ কিছু নয়। অর্থাৎ কোন নারি স্বামীকে ঠকিয়ে ব্যাভিচার বা পরকিয়ায় লিপ্ত হলেও সে নারি অভিযুক্ত হবেন না এমনকি অপরাধের সহযোগী হিসেবেও নয় অথচ দেশীয় আইন বলছে সে নারি তার স্বামীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে যা একটা চুক্তি। আবার দন্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় বলা হলো স্বামী বা স্ত্রীর কেউ স্বামী-স্ত্রী থাকা অবস্হায় অন্যকোন পুরুষ বা নারির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে সেটা হবে দণ্ডনীয় অপরাধ যার শাস্তি সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে।সোজা ভাষায় এর ব্যাখ্যা দাঁড়ায় একজন স্ত্রী পরকিয়া করতে পারবেন কিন্তু তার স্বামী বা সে নিজে (বিবাহ কার্যকর অবস্হায়) আরেকজনকে বিয়ে করতে পারবেন না! অথবা এভাবে বলা যায় যে দ্বিতীয় বিবাহ দন্ডনীয় কিন্তু স্ত্রীর পরকিয়া বন্ধনহীন! দন্ডবিধি ১৮৬০ সালে ব্রিটিশদের দ্বারা প্রণীত হয়েছে।

আইনটি প্রণয়নের সময় অন্তত ৪৯৭ ধারার ক্ষেত্রে আমাদের উপমহাদেশের সংস্কৃতি, জলবায়ু, সামাজিকতা ও আবেগকে আমলে নিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে কিনা প্রশ্নটা থেকেই যায়।একজন স্ত্রীর কাছে স্বামীর সবচেয়ে বড় যে অধিকার সে অধিকার অনৈতিকভাবে কিংবা প্রতারণার দরুন ক্ষতিগ্রস্হ হচ্ছে অথচ স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করা যাচ্ছেনা - তার মানে ব্রিটিশরা আইনটা প্রণয়নের সময় সজ্ঞানে নারির অপকর্মের দরজাটা খোলা রেখেছে যা একবিংশ শতাব্দিতে এসে মহামারি রুপ নিয়েছে। সম্পর্কে শ্রদ্ধা উঠে যাওয়ায় আর এমন অযৌক্তিক বিধানের বলি হচ্ছে তরুন সমাজ। সার্বিকভাবে সামাজিক ও পারিবারিক ভিত নড়বড়ে হয়ে যাওয়ায় এবং নৈতিকতার চর্চা সার্বিক জীবনে না হওয়ায় ঠুনকো হয়ে যাচ্ছে আবেগ আর ভালোবাসার বন্ধন। জন্ম দিচ্ছি ঐশী এবং ডা: তানজিলা মিতুদের।সাগর-রুনী হত্যাকান্ডের আড়ালেও হয়তো লুকিয়ে আছে কোন গল্প! আশংকার ব্যাপার হলো ব্যাভিচার বা নৈতিককাহীনতাটা আজ তথাকতিথত শিক্ষিত সমাজেই বেশি চর্চা হচ্ছে যা বেদনাদায়ক। হবেইনা বা কেন? বিদ্যালয়গুলোতে এখন কোন নৈতিকতা শেখানো হয়না কিংবা যতোটুকো হয় তা নামমাত্র।এমন রুচিহীন ঘটনা তরুন সমাজে বিরুপ প্রভাব ফেলছে। ফলে বাড়ছে হতাশা আর বিপরীত লিঙ্গের প্রতি অবিশ্বাস! বিয়ের পরিবর্তে এখন ছেলেমেয়েরা সিঙ্গেল থাকাকেই প্রাধান্য দিচ্ছে। কজনকে বিয়ের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে উত্তর এসেছিল "কাকে বিয়ে করব? ঢাকার মেয়েকেতো নয়ই"। অনুরুপ উত্তর অনেক তরুনিও দিয়ে থাকেন।

স্বামী- স্ত্রী পরস্পরের জন্য স্রষ্টা প্রেরিত উপঢৌকন।এ সম্পর্কটা হোক আস্হার, বিশ্বাসের, ভালোবাসার, নির্ভরতার! চুক্তিভিত্তিক কিংবা স্বার্থন্বেষী নয়! বেগম রোকেয়া স্বামী- স্ত্রী বুঝাতে অর্ধাঙ্গ আর অর্ধাঙ্গী শব্দযুগল ব্যাবহার করতেন অর্থাৎ স্বামী- স্ত্রী একই দেহের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। কাজী নজরুল ইসলাম পার্থিব যুদ্ধে স্বামীকে যোদ্ধা আর স্ত্রীকে প্রেরণাদায়ী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন, কোনকালে একা হয়নি কো জয়ী পুরুষের তরবারি/প্রেরণা দিয়েছে শক্তি দিয়েছে/ বিজয় লক্ষ্মী নারি।

নর বা নারি সহকর্মী হোক, সহমর্মী হোক! সহযোগী হোক প্রতিযোগী হোক ভালোবাসায়, ভালো কর্মে! প্রতারণা নয় প্রেরণা হোক আমাদের সম্পর্কের সন্জীবনী! ভালো থাকুক ভালোবাসার মানুষগুলো! আকাশের বুকে মেঘ যেন না জমে।মিতুর চিঠিখানা পোস্ট হোক কেবল আকাশের ঠিকানায়!
  • [accordion]
    • লেখক সম্পর্কে জানুন
    • সাধারণ নোটিশ
      • টকেটিভ বাংলা ব্লগের সকল সম্মানিত লেখককে এই মর্মে জানানো যাচ্ছে যে, অত্র ব্লগে কোন ধরণের কাট-কপি-পেস্ট লেখা প্রকাশ করা হবে না। কোন লেখা কাট-কপি-পেস্ট প্রমাণিত হলে ঐ লেখা কোন ধরণের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই মুছে দেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট লেখকের কোন পোস্ট পরবর্তীতে অত্র ব্লগে প্রকাশ করা হবে না।
    • লিখুন এবং উপার্জন করুন
      • টকেটিভ বাংলায় আপনাকে স্বাগতম! টকেটিভ বাংলায় মান সম্মত লেখা জমা দিয়ে খুব সহজেই আয় করতে পারেন। টকেটিভ বাংলা বিশ্বাস করে প্রত্যেক ব্যক্তির মধ্যেই মেধা রয়েছে। এখন প্রয়োজন হলো সেই মেধার বিকাশ ঘটানো। মেধাকে লুক্কায়িত না রেখে বিশ্বের মাঝে ছড়িয়ে দিলে দেশ ও জাতির উন্নয়ন ও কল্যাণ হবে। টকেটিভ বাংলা মেধা বিকাশের সেই সুযোগটিই করে দিচ্ছে। পাশাপাশি লেখকদের নিজের পরিচিত বাড়িয়ে তোলা ও প্রতি কন্টেন্টের জন্য টাকা উপার্জনের সুযোগ করে দিচ্ছে। তাই আপনার মাথায় যদি গিজগিজ করে নিত্যনতুন আইডিয়া, চিন্তা, চেতনা তাহলে ঝড় তুলুন কী-বোর্ডে।

        টকেটিভ বাংলা থেকে আয় করতে হলে নিচের শর্তাবলী মেনে চলতে হবে-

        ১। আপনাকে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিতে হবে এবং নিজের প্রোফাইল থেকে কমপক্ষে ১০০ জন ফেসবুক ফ্রেন্ডকে আমাদের ফেসবুক পেইজের (টকেটিভ বাংলা) ইনভাইটেশন পাঠাতে হবে। (বাধ্যতামূলক না তবে এর মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তুলে ধরতে পারবো)।

        ২। এরপর সাইটে ভিজিট করে কম পক্ষে ৫ টি লেখা নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করতে হবে ও সেগুলোতে গঠন মূলক কমেন্ট করতে হবে। (বাধ্যতামূলক না, তবে এর মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তুলে ধরতে পারর। আর এই ক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা কাম্য।)

        ৩। প্রথমে টকেটিভ বাংলা সাইট টি ভিজিট করে আমাদের প্রকাশিত কন্টেন্ট সম্পর্কে আইডিয়া নিতে হবে। এরপর ৫০০-৭০০ শব্দের  ১টি সম্পূর্ণ মৌলিক, কপি-পেস্ট বিহীন কন্টেন্ট আমাদের ওয়েবসাইটে পাঠাতে হহবে। লেখাটির মান ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা স্বাপেক্ষে প্রকাশিত হবে। কোন লেখা কপি-পেস্ট বলে প্রমাণিত হলে তাকে টকেটিভ বাংলা থেকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে। প্রথম কন্টেন্ট যাচাইয়ের জন্য নেয়া হবে। লেখার বিষয়বস্তু আপনি নিজে পছন্দ করতে পারবেন।

        ৪। ২য় লেখা থেকে আপনি পেমেন্টের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন। লেখার মান অনুযায়ী প্রতি লেখার জন্য  ৫০ টাকা পাবেন এবং ১০ টি লেখা পেমেন্ট এর জন্য বিবেচিত না হওয়া পর্যন্ত পেমেন্ট এর জন্য অনুরোধ করতে পারবেন না।  কোন পোস্ট  প্রকাশিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নূন্যতম ১০ টি পজিটিভ ভোট প্রাপ্ত না হলে উক্ত পোস্ট পেমেন্ট এর জন্য বিবেচিত হবে না। বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট প্রদান করা হবে।

        ৫। এছাড়া একজন নিয়মিত লেখককে টকেটিভ বাংলায় প্রকাশিত নিজের লেখা+অন্য লেখাদের কমপক্ষে ৪ টা লেখা সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুকে শেয়ার দিতে হবে। তাছাড়া ওয়েব  সাইটে নিয়মিত গঠনমুলক মন্তব্য করতে হবে।

        ৬। দেশের প্রচলিত আইনের বিরোধী, কোন বিশেষ ধর্ম, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অথবা দেশকে কটাক্ষ করে কিছু লেখা যাবে না। এ ধরণের লেখা প্রকাশিত হবে না।

        ৭। একটি পোস্ট নূন্যতম ৫০০ শব্দের না হলে সেই পোস্ট পেমেন্ট পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবে না।

        ৮। কোন কবিতার ক্ষেত্রে সর্ব নিম্ন ১৪ লাইনের কবিতা না হলে এবং নূন্যতম ১৪ টি পজিটিভ ভোট ও ১৪ টি মন্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত উক্ত কবিতা পেমেন্ট এর জন্য মনোনীত হবে না।

        ৯। কোন কপি, পেস্ট করা পোস্ট বা ভুল তথ্য সম্বলিত পোস্ট পেমেন্ট পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবে না।

        ১০। টকেটিভ বাংলা ব্লগে লেখার নিয়ম, নীতিমালা ও শর্তাবলী বহির্ভূত কোন পোস্ট পেমেন্ট পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবে না। (টকেটিভ বাংলা ব্লগের নীতিমালা ও শর্তাবলী)

        ১১। পোস্টে অন্য কোথাও থেকে উদ্বৃতি দিতে হলে অবশ্যই রেফারেন্সসহ দিতে হবে।

        ১২। একজন লেখকের নূন্যতম ১০টি পোস্ট পেমেন্ট এর জন্য মনোনীত হলেই কেবল তিনি “রিওয়ার্ড ক্লেইম ফর্ম” পূরণ করে টকেটিভ বাংলা কর্তৃপক্ষের নিকট পেমেন্ট এর জন্য অনুরোধ করতে পারবেন।

        ১৩। একজন লেখক পেমেন্ট পাওয়ার যোগ্য হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে “রিওয়ার্ড ক্লেইম ফর্ম” পূরণ করে টকেটিভ বাংলা কর্তৃপক্ষের নিকট পেমেন্ট  এর দাবি না করলে তার সমস্ত পেমেন্ট বাতিল বলে গণ্য হবে।

        ১৪। কোন পোস্ট টকেটিভ বাংলায় জমা দেওয়ার সময় ৫ সংখ্যার একটি ইউনিক কোড এবং জন্ম তারিখসহ প্রয়োজনীয় তথ্যাদি প্রদান করতে হবে। এই ইউনিক কোডটি প্রতিটি পোস্টের ক্ষেত্রে সব সময় একই থাকবে। পৃথক পৃথক পোস্টের জন্য পৃথক পৃথক ইউনিক কোড ব্যবহার করা যাবেনা। এই ইউনিক কোডটি লেখককে সংরক্ষণ করতে হবে। কারণ পেমেন্ট ক্লেইম করার সময় এই ইউনিক কোডটি প্রয়োজন হবে। ইউনিক কোডটি অন্যের নিকট শেয়ার করা যাবে না।

        ১৫। উপরের সকল শর্তাবলীর কোন একটি না মানলেও পোস্টটি প্রকাশিত হতে পারে। তবে সেই পোস্টটি পেমেন্ট এর জন্য মনোনীত হবে না।

        সাইটের বিষয়ে লেখক ও পাঠকদের যেকোন গঠনমূলক সমালোচনা, মতামত সাদরে গৃহীত হবে। এ সাইট আপনাদের, একে এগিয়ে নেবার দায়িত্ব আপনাদেরই।


        বিঃদ্রঃ পূর্ব  নোটিশ ছাড়াই উপরোক্ত শর্তাবলী যেকোন সময় টকেটিভ বাংলা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংশোধিত, পরিবর্তিত বা সংযোজিত হতে পারে।
    • আমাদের কথা
      • অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং অনেক জীবনের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি এই বাংলা। পেয়েছি বাংলা ভাষা। তাই বাংলাদেশ ও বাংলা ভাষার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাবোধ হৃদয়ের গভীর থেকে। আমরা আবেগ-অনুভূতি-চিন্তা-চেতনায় ক্রমাগত মাটির গন্ধ খুঁজে বেড়াই। গন্ধ খুঁজে পার্থক্য করি বেলে-দোআঁশ-কাঁদা-পলি মাটি। এই মাটির সোঁদা গন্ধে আমাদের বেড়ে ওঠা। আমাদের কণ্ঠ মাটির কথা বলে, আমাদের কণ্ঠ এই মাটির সবুজ প্রকৃতির কথা বলে, আমাদের কণ্ঠ মাটিকে ভালবাসতে বলে। আমরা লালন করি একুশের চেতনা, আমরা লালন করি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। ধর্ষিতা বোনের শাড়ি আমাদের পবিত্র স্মৃতি। ৩০ লক্ষ শহীদ আমাদের পথের দিশারী। তাঁদের অসমাপ্ত পথ সমাপ্ত করার জন্য আমাদের জন্ম। লাল সবুজের পতাকার প্রতি আমরা সদা অবনত। আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা অসুন্দরের বিপক্ষ শক্তি, অন্যায়ের বিপক্ষ শক্তি, স্বাধীনতার শত্রুদের বিপক্ষ শক্তি। আমরা প্রগতির পক্ষে, আমরা অন্ধ গোঁড়ামির বিপক্ষে।  আমরা গল্প করবো, আড্ডা দেব, তর্ক করবো, বিতর্ক করবো। আমরা প্রস্তাব দেব, আলোচনা করবো। আমরা যুক্তির কথা বলবো, আমরা গণমানুষের মুক্তির কথা বলবো।

        তবে সবই হবে বাংলায়, একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে। আমরা স্বাধীনভাবে  বলবো কিন্তু বাধাহীনভাবে নয়। আমরা সত্যের সন্ধানে দান্দিক হবো। বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবো। এই মাটির প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি পালনে দৃঢ় থাকবো। আমরা কোনো কর্তৃপক্ষ নই, এই বাংলার প্রতিটি মানুষের সুন্দর স্বপ্ন নিয়েই আমরা। চর্যাপদের বুভুক্ষু পা আমরা, সুকান্ত’র চাঁদে ঝলসানো রুটি খোঁজা মানুষ আমরা। আমরা জসিম উদ্দিনের নকশী কাথার মাঠ। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কারিগর আমরা। হাজার বছরের বাঙালিয়ানা নিয়ে আমাদের পথ চলা। শুভ হোক ব্লগীং।

COMMENTS

BLOGGER
নাম

অদ্ভুতুড়ে টক,2,অর্থ ও বাণিজ্য,3,আইন আদালত,22,আইন যোদ্ধা,1,আইন শৃঙ্খলা,1,আদালতে হাতেখড়ি,5,আফসার হাসান,2,ইতিহাস ও ঐতিহ্য,3,ইসলাম,2,ঈমান,1,উপন্যস,2,এডভোকেট আজাদী আকাশ,57,এডভোকেট আনিসুর রহমান,4,এডভোকেট খোরশেদ আলম,1,এন্ড্রয়েড,1,কবিতা,19,কাজী নজরুল ইসলাম,2,খেলাধুলা,1,গল্প,8,জীবনানন্দ দাস,1,তাবলীগ জামাত,1,তৈমূর আলম খন্দকার,6,দেওয়ানী আইন,9,ধর্মীয় টক,9,নারী অধিকার,1,নির্বাচন,3,নির্বাচিত টক,14,নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী,1,প্রকৃতি,1,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,1,ফৌজদারি আইন,16,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,6,বিনোদন,2,বিবাহ,1,বিশেষ টক,7,ব্লগ,1,ভ্রমণ টক,2,মুক্ত টক,1,মোঃ মুঞ্জুরুল ইসলাম,1,যৌতুক,1,যৌন নির্যাতন,1,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,3,রম্যরচনা,1,রাজনীতি,11,রীট,1,রুদ্র রায়হান,9,রুবেল রানা,1,রেসিপি,2,লাইফস্টাইল,2,শিক্ষা,4,সম্পাদকীয় টক,16,সাহিত্য,22,সুকুমার রায়,3,স্বাস্থ্য টক,4,
ltr
item
Talkative Bangla- এসো বাংলায় মাতি উল্লাসে | বাংলা সোস্যাল ব্লগ সাইট : বিয়ে কি শুধুই চুক্তি? : প্রেক্ষিত পরকিয়া
বিয়ে কি শুধুই চুক্তি? : প্রেক্ষিত পরকিয়া
https://1.bp.blogspot.com/-zmcFykxKeTw/XFgzaAOyy5I/AAAAAAAABlA/xNu9xHIwNbMdse1Dj-c5HNqz8GBMqTK2wCEwYBhgL/s1600/%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%25AD%2B%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%2582%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25BE%2B%25E0%25A7%25A9.png
https://1.bp.blogspot.com/-zmcFykxKeTw/XFgzaAOyy5I/AAAAAAAABlA/xNu9xHIwNbMdse1Dj-c5HNqz8GBMqTK2wCEwYBhgL/s72-c/%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%25AD%2B%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%2582%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25BE%2B%25E0%25A7%25A9.png
Talkative Bangla- এসো বাংলায় মাতি উল্লাসে | বাংলা সোস্যাল ব্লগ সাইট
https://www.talkativebangla.com/2019/02/Law-and-court-illicit-relationship.html
https://www.talkativebangla.com/
https://www.talkativebangla.com/
https://www.talkativebangla.com/2019/02/Law-and-court-illicit-relationship.html
true
4497219040230755502
UTF-8
সকল পোস্ট লোড হয়েছে কোন পোস্ট পাওয়া যায়নি সব দেখুন বিস্তারিত পড়ুন Reply Cancel reply Delete By প্রথম পাতা বাকিটুকু পরবর্তী পাতায় দেখুন POSTS সব দেখুন আপনার জন্য আরও টক টক বিভাগ ARCHIVE আপনি খুজছেন সকল টক আপনার অনুরোধ অনুযায়ী কোন পোস্ট পাওয়া যায়নি। দয়া করে অন্যভাবে চেষ্টা করুন অথবা প্রথম পাতায় ফিরুন Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS CONTENT IS PREMIUM Please share to unlock Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy