$type=ticker$count=12$cols=4$cate=0

দেওয়ানী মামলা নিষ্পত্তি হতে বছরের পর বছর সময় লাগে কেন?

সমন জারী, বিবাদী কর্তৃক লিখিত জবাব দাখিল, ইস্যু গঠন, উদঘাটন ও পরিদর্শন, তারপর যুক্তিতর্ক শুনানীর জন্য একটা তারিখ নির্ধারণ করা হবে।




আপনারা হয়তো শুনে থাকবেন একটা দেওয়ানী মামলা বিশ ত্রিশ এমনকি পঞ্চাশ বছর ধরে চলারও বহু নজির রয়েছে। কিন্তু একটা মামলা কেন এত বছর ধরে চলে সে ব্যাপারে অনেকেই হয়তো জানেন না। আজকে আমরা জানবো কেন একটা দেওয়ানী মামলা বছরের পর বছর ধরে চললেও সহজে নিষ্পত্তি হয় না। 


একটা দেওয়ানী মামলা দায়ের করার পর বিভিন্ন প্রক্রিয়া ও স্তরের মাধ্যমে সামনে এগোতে থাকে। দেওয়ানী মামলা নিষ্পত্তি হতে দেরী হওয়ার কারণ জানতে হলে আগে দেওয়ানী মামলার বিভিন্ন স্তর সম্পর্কে জানতে হবে।

 সমন জারী
একটি মামলা দায়েরের পরের ধাপ হলো  সমন জারী। এই ধাপটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মামলার সমন যথারীতি জারী না হলে মামলার কার্যক্রম শুরুই হবে না। মামলার যে দীর্ঘসুত্রিতার কথা শোনা যায় সমন জারী না হওয়া তার অন্যতম কারণ। সমন মানে হলো যার বা যাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হলো তার বা তাদেরকে নোটশের মাধ্যমে ঐ মামলা সম্পর্কে অবগত করা।

বিবাদী কর্তৃক লিখিত জবাব দাখিল
বিবাদীর প্রতি যথারীতি সমন জারী হলে বিবাদী মামলা হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে লিখিত জবাব দাখিল করবেন।

প্রথম শুনানীতেই মামলা নিষ্পত্তি
প্রথম শুনানীর তারিখে আদালত দেখেন যে, মামলার পক্ষদের মধ্যে কোন বিরোধীয় বিষয় নেই তবে তা অবিলম্বে নিষ্পত্তি করবেন। এক্ষেত্রে মামলা মূলতবি করার কোন সুযোগ নেই।

ইস্যু গঠন
এর পরের ধাপ হলো ইস্যু গঠন। যেসব বিরোধীয় বিষয়ের উপর মামলা নিষ্পত্তি হবে সেসব বিষয় বস্ত নিয়ে ইস্যু গঠন করা হয়।

উদঘাটন ও পরিদর্শন
ইস্যু গঠনের পর বাদী বা বিবাদী আদালতের অনুমতি নিয়ে অপর পক্ষকে লিখিত প্রশ্ন দাখিল করতে পারবেন। তবে একটি পক্ষকে একবারই লিখিত প্রশ্ন দাখিল করতে পারবেন।

৩০ ধারার তদ্বির
এই পর্যায়ে নির্ধারিত শর্ত  এবং সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, আদালত যে কোনও সময় নিজ উদ্যোগে বা কোনও পক্ষের আবেদনক্রমে- কোন প্রশ্নাবলী দাখিল বা প্রশ্নাবলীর উত্তর, তথ্য বা ঘটনার গ্রহনযোগ্যতা এবং কোন দলিলের যা স্বাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে এমন দলিল বা অন্যান্য বিষয় উদঘাটন, পরিদর্শন, উপস্থাপন, আটক এবং ফেরত সংক্রান্ত যেকোন আদেশ আদালত যথাপোযুক্ত মনে করলে দিতে পারেন।

এর পরের স্তর হলো চূড়ান্ত শুনানীর তারিখ নির্ধারণ করা

এর পর  চূড়ান্ত শুনানী হবে
এই পর্যায়ে এসে বিচারক বাদী ও বিবাদীর জবানবন্দী, জেরা, দলিলাদি গ্রহণ করবেন।

তারপর যুক্তিতর্ক শুনানীর জন্য একটা তারিখ নির্ধারণ করা হবে। যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণা করার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন এবং উক্ত তারিখে রায় ঘোষণা করবেন। এর পরে ডিক্রি প্রদান করবেন।
মোটামুটি একটি দেওয়ানী মামলা ১২ থেকে ১৩ টি স্তরের মাধ্যমে শেষ হয়। একটা স্তর হতে আরেকটা স্তরে যেতে যদি কমপক্ষে ২ মাস সময় লাগে তাহলেও কিন্তু একটা মামলা শেষ হতে কমপক্ষে ২ বছর সময় লাগবে। আবারও  বলছি এটা কিন্তু খুব সাধারণ হিসাব বাস্তবিক পক্ষে যা অসম্ভব। এর পর যার বিরুদ্ধে রায় দেয়া হলো তিনি জেলা জজে আপীল করবেন এবং এই আপীল নিষ্পত্তি হতে কমপক্ষে ২ বছর সময় লাগবে। এরপর জেলা জজ আদালতে উক্ত আপীলে যে পক্ষ হারবেন সেই পক্ষ মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন করবেন যেখানে কমপক্ষে ৩ বছর সময় লাগবে। এরপর মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে যে পক্ষ হারবেন সে পক্ষ মহামান্য আপীল বিভাগে আপীল করবেন। সেখানেও ধরুন কমপক্ষে ৩ বছরের মত সময় লাগবে। তাহলে দাড়ালো একটা দেওয়ানী মামলা চূড়ান্তভাবে  নিষ্পত্তি হতে কমপক্ষে ১০-১২ বছর লেগেই যায়।

কিন্তু বাস্তবতা বড় কঠিন। মামলা চলতে চলতে দেখা গেল আদালত এমন একটা আদেশ দিলেন যার বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে এক পক্ষ উচ্চ আদালতে রিভিশন করলেন। সেখানে ঐ রিভিশন  মামলা টি বছরের পর বছর ঝুলে থাকলো। আর নিম্ন আদালতে মুল মামলাটির কার্যক্রম বছরের পর বছর স্থগিত থাকলো।

আবার উভয় পক্ষই সময়ের আবেদন করবেন, স্বাক্ষী আনতে দেরি করবেন ইত্যাদি কারণে মামলা নিম্ন আদালতেই কয়েক বছর ঝুলে থাকে।  তাছাড়া অনেক সময় দেখা যায় সমন জারি না হওয়ার কারণে বছরের পর বছর ধরে মামলা ঝুলে থাকে শুরুই হয় না। সার্বিক কারণে দেওয়ানী মামলা নিষ্পত্তি হতে এত বেশি দেরি হয়। 
  • [accordion]
    • লেখক সম্পর্কে জানুন
      • পোস্টটি লিখেছেন- [ মোঃ আজাদুর রহমান ##pencil##] তিনি টকেটিভ বাংলার এডমিন ও সম্পাদক। পেশাগত জীবনে তিনি আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে কর্মরত আছেন।
    • সাধারণ নোটিশ
      • টকেটিভ বাংলা ব্লগের সকল সম্মানিত লেখককে এই মর্মে জানানো যাচ্ছে যে, অত্র ব্লগে কোন ধরণের কাট-কপি-পেস্ট লেখা প্রকাশ করা হবে না। কোন লেখা কাট-কপি-পেস্ট প্রমাণিত হলে ঐ লেখা কোন ধরণের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই মুছে দেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট লেখকের কোন পোস্ট পরবর্তীতে অত্র ব্লগে প্রকাশ করা হবে না।
    • লিখুন এবং উপার্জন করুন
      • টকেটিভ বাংলায় আপনাকে স্বাগতম! টকেটিভ বাংলায় মান সম্মত লেখা জমা দিয়ে খুব সহজেই আয় করতে পারেন। টকেটিভ বাংলা বিশ্বাস করে প্রত্যেক ব্যক্তির মধ্যেই মেধা রয়েছে। এখন প্রয়োজন হলো সেই মেধার বিকাশ ঘটানো। মেধাকে লুক্কায়িত না রেখে বিশ্বের মাঝে ছড়িয়ে দিলে দেশ ও জাতির উন্নয়ন ও কল্যাণ হবে। টকেটিভ বাংলা মেধা বিকাশের সেই সুযোগটিই করে দিচ্ছে। পাশাপাশি লেখকদের নিজের পরিচিত বাড়িয়ে তোলা ও প্রতি কন্টেন্টের জন্য টাকা উপার্জনের সুযোগ করে দিচ্ছে। তাই আপনার মাথায় যদি গিজগিজ করে নিত্যনতুন আইডিয়া, চিন্তা, চেতনা তাহলে ঝড় তুলুন কী-বোর্ডে।

        টকেটিভ বাংলা থেকে আয় করতে হলে নিচের শর্তাবলী মেনে চলতে হবে-

        ১। আপনাকে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিতে হবে এবং নিজের প্রোফাইল থেকে কমপক্ষে ১০০ জন ফেসবুক ফ্রেন্ডকে আমাদের ফেসবুক পেইজের (টকেটিভ বাংলা) ইনভাইটেশন পাঠাতে হবে। (বাধ্যতামূলক না তবে এর মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তুলে ধরতে পারবো)।

        ২। এরপর সাইটে ভিজিট করে কম পক্ষে ৫ টি লেখা নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করতে হবে ও সেগুলোতে গঠন মূলক কমেন্ট করতে হবে। (বাধ্যতামূলক না, তবে এর মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তুলে ধরতে পারর। আর এই ক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা কাম্য।)

        ৩। প্রথমে টকেটিভ বাংলা সাইট টি ভিজিট করে আমাদের প্রকাশিত কন্টেন্ট সম্পর্কে আইডিয়া নিতে হবে। এরপর ৫০০-৭০০ শব্দের  ১টি সম্পূর্ণ মৌলিক, কপি-পেস্ট বিহীন কন্টেন্ট আমাদের ওয়েবসাইটে পাঠাতে হহবে। লেখাটির মান ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা স্বাপেক্ষে প্রকাশিত হবে। কোন লেখা কপি-পেস্ট বলে প্রমাণিত হলে তাকে টকেটিভ বাংলা থেকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে। প্রথম কন্টেন্ট যাচাইয়ের জন্য নেয়া হবে। লেখার বিষয়বস্তু আপনি নিজে পছন্দ করতে পারবেন।

        ৪। ২য় লেখা থেকে আপনি পেমেন্টের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন। লেখার মান অনুযায়ী প্রতি লেখার জন্য  ৫০ টাকা পাবেন এবং ১০ টি লেখা পেমেন্ট এর জন্য বিবেচিত না হওয়া পর্যন্ত পেমেন্ট এর জন্য অনুরোধ করতে পারবেন না।  কোন পোস্ট  প্রকাশিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নূন্যতম ১০ টি পজিটিভ ভোট প্রাপ্ত না হলে উক্ত পোস্ট পেমেন্ট এর জন্য বিবেচিত হবে না। বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট প্রদান করা হবে।

        ৫। এছাড়া একজন নিয়মিত লেখককে টকেটিভ বাংলায় প্রকাশিত নিজের লেখা+অন্য লেখাদের কমপক্ষে ৪ টা লেখা সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুকে শেয়ার দিতে হবে। তাছাড়া ওয়েব  সাইটে নিয়মিত গঠনমুলক মন্তব্য করতে হবে।

        ৬। দেশের প্রচলিত আইনের বিরোধী, কোন বিশেষ ধর্ম, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অথবা দেশকে কটাক্ষ করে কিছু লেখা যাবে না। এ ধরণের লেখা প্রকাশিত হবে না।

        ৭। একটি পোস্ট নূন্যতম ৫০০ শব্দের না হলে সেই পোস্ট পেমেন্ট পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবে না।

        ৮। কোন কবিতার ক্ষেত্রে সর্ব নিম্ন ১৪ লাইনের কবিতা না হলে এবং নূন্যতম ১৪ টি পজিটিভ ভোট ও ১৪ টি মন্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত উক্ত কবিতা পেমেন্ট এর জন্য মনোনীত হবে না।

        ৯। কোন কপি, পেস্ট করা পোস্ট বা ভুল তথ্য সম্বলিত পোস্ট পেমেন্ট পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবে না।

        ১০। টকেটিভ বাংলা ব্লগে লেখার নিয়ম, নীতিমালা ও শর্তাবলী বহির্ভূত কোন পোস্ট পেমেন্ট পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবে না। (টকেটিভ বাংলা ব্লগের নীতিমালা ও শর্তাবলী)

        ১১। পোস্টে অন্য কোথাও থেকে উদ্বৃতি দিতে হলে অবশ্যই রেফারেন্সসহ দিতে হবে।

        ১২। একজন লেখকের নূন্যতম ১০টি পোস্ট পেমেন্ট এর জন্য মনোনীত হলেই কেবল তিনি “রিওয়ার্ড ক্লেইম ফর্ম” পূরণ করে টকেটিভ বাংলা কর্তৃপক্ষের নিকট পেমেন্ট এর জন্য অনুরোধ করতে পারবেন।

        ১৩। একজন লেখক পেমেন্ট পাওয়ার যোগ্য হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে “রিওয়ার্ড ক্লেইম ফর্ম” পূরণ করে টকেটিভ বাংলা কর্তৃপক্ষের নিকট পেমেন্ট  এর দাবি না করলে তার সমস্ত পেমেন্ট বাতিল বলে গণ্য হবে।

        ১৪। কোন পোস্ট টকেটিভ বাংলায় জমা দেওয়ার সময় ৫ সংখ্যার একটি ইউনিক কোড এবং জন্ম তারিখসহ প্রয়োজনীয় তথ্যাদি প্রদান করতে হবে। এই ইউনিক কোডটি প্রতিটি পোস্টের ক্ষেত্রে সব সময় একই থাকবে। পৃথক পৃথক পোস্টের জন্য পৃথক পৃথক ইউনিক কোড ব্যবহার করা যাবেনা। এই ইউনিক কোডটি লেখককে সংরক্ষণ করতে হবে। কারণ পেমেন্ট ক্লেইম করার সময় এই ইউনিক কোডটি প্রয়োজন হবে। ইউনিক কোডটি অন্যের নিকট শেয়ার করা যাবে না।

        ১৫। উপরের সকল শর্তাবলীর কোন একটি না মানলেও পোস্টটি প্রকাশিত হতে পারে। তবে সেই পোস্টটি পেমেন্ট এর জন্য মনোনীত হবে না।

        সাইটের বিষয়ে লেখক ও পাঠকদের যেকোন গঠনমূলক সমালোচনা, মতামত সাদরে গৃহীত হবে। এ সাইট আপনাদের, একে এগিয়ে নেবার দায়িত্ব আপনাদেরই।


        বিঃদ্রঃ পূর্ব  নোটিশ ছাড়াই উপরোক্ত শর্তাবলী যেকোন সময় টকেটিভ বাংলা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংশোধিত, পরিবর্তিত বা সংযোজিত হতে পারে।
    • আমাদের কথা
      • অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং অনেক জীবনের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি এই বাংলা। পেয়েছি বাংলা ভাষা। তাই বাংলাদেশ ও বাংলা ভাষার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাবোধ হৃদয়ের গভীর থেকে। আমরা আবেগ-অনুভূতি-চিন্তা-চেতনায় ক্রমাগত মাটির গন্ধ খুঁজে বেড়াই। গন্ধ খুঁজে পার্থক্য করি বেলে-দোআঁশ-কাঁদা-পলি মাটি। এই মাটির সোঁদা গন্ধে আমাদের বেড়ে ওঠা। আমাদের কণ্ঠ মাটির কথা বলে, আমাদের কণ্ঠ এই মাটির সবুজ প্রকৃতির কথা বলে, আমাদের কণ্ঠ মাটিকে ভালবাসতে বলে। আমরা লালন করি একুশের চেতনা, আমরা লালন করি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। ধর্ষিতা বোনের শাড়ি আমাদের পবিত্র স্মৃতি। ৩০ লক্ষ শহীদ আমাদের পথের দিশারী। তাঁদের অসমাপ্ত পথ সমাপ্ত করার জন্য আমাদের জন্ম। লাল সবুজের পতাকার প্রতি আমরা সদা অবনত। আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা অসুন্দরের বিপক্ষ শক্তি, অন্যায়ের বিপক্ষ শক্তি, স্বাধীনতার শত্রুদের বিপক্ষ শক্তি। আমরা প্রগতির পক্ষে, আমরা অন্ধ গোঁড়ামির বিপক্ষে।  আমরা গল্প করবো, আড্ডা দেব, তর্ক করবো, বিতর্ক করবো। আমরা প্রস্তাব দেব, আলোচনা করবো। আমরা যুক্তির কথা বলবো, আমরা গণমানুষের মুক্তির কথা বলবো।

        তবে সবই হবে বাংলায়, একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে। আমরা স্বাধীনভাবে  বলবো কিন্তু বাধাহীনভাবে নয়। আমরা সত্যের সন্ধানে দান্দিক হবো। বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবো। এই মাটির প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি পালনে দৃঢ় থাকবো। আমরা কোনো কর্তৃপক্ষ নই, এই বাংলার প্রতিটি মানুষের সুন্দর স্বপ্ন নিয়েই আমরা। চর্যাপদের বুভুক্ষু পা আমরা, সুকান্ত’র চাঁদে ঝলসানো রুটি খোঁজা মানুষ আমরা। আমরা জসিম উদ্দিনের নকশী কাথার মাঠ। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কারিগর আমরা। হাজার বছরের বাঙালিয়ানা নিয়ে আমাদের পথ চলা। শুভ হোক ব্লগীং।

COMMENTS

BLOGGER
নাম

অদ্ভুতুড়ে টক,2,অর্থ ও বাণিজ্য,3,আইন আদালত,23,আইন যোদ্ধা,1,আইন শৃঙ্খলা,1,আদালতে হাতেখড়ি,5,আফসার হাসান,2,ইতিহাস ও ঐতিহ্য,3,ইসলাম,2,ঈমান,1,উপন্যস,2,এডভোকেট আজাদী আকাশ,57,এডভোকেট আনিসুর রহমান,7,এডভোকেট খোরশেদ আলম,1,এন্ড্রয়েড,1,কবিতা,22,কাজী নজরুল ইসলাম,2,খেলাধুলা,1,গল্প,8,জীবনানন্দ দাস,1,তাবলীগ জামাত,1,তৈমূর আলম খন্দকার,6,দেওয়ানী আইন,10,ধর্মীয় টক,9,নারী অধিকার,1,নির্বাচন,3,নির্বাচিত টক,14,নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী,1,প্রকৃতি,1,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,1,ফৌজদারি আইন,16,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,7,বিনোদন,2,বিবাহ,1,বিশেষ টক,7,ব্লগ,1,ভ্রমণ টক,2,মুক্ত টক,1,মোঃ মুঞ্জুরুল ইসলাম,1,যৌতুক,1,যৌন নির্যাতন,1,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,3,রম্যরচনা,1,রাজনীতি,11,রীট,1,রুদ্র রায়হান,9,রুবেল রানা,1,রেসিপি,2,লাইফস্টাইল,2,শিক্ষা,4,সম্পাদকীয় টক,16,সাহিত্য,25,সুকুমার রায়,3,স্বাস্থ্য টক,4,
ltr
item
Talkative Bangla- এসো বাংলায় মাতি উল্লাসে | বাংলা সোস্যাল ব্লগ সাইট : দেওয়ানী মামলা নিষ্পত্তি হতে বছরের পর বছর সময় লাগে কেন?
দেওয়ানী মামলা নিষ্পত্তি হতে বছরের পর বছর সময় লাগে কেন?
সমন জারী, বিবাদী কর্তৃক লিখিত জবাব দাখিল, ইস্যু গঠন, উদঘাটন ও পরিদর্শন, তারপর যুক্তিতর্ক শুনানীর জন্য একটা তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
https://1.bp.blogspot.com/-CulKsn4_2kE/Xb_BFL4GNuI/AAAAAAAABts/C2pZr5XoXoYVZS8Wj3GbInZJl2Ox6fuLACLcBGAsYHQ/s1600/Legalvoicebd.png
https://1.bp.blogspot.com/-CulKsn4_2kE/Xb_BFL4GNuI/AAAAAAAABts/C2pZr5XoXoYVZS8Wj3GbInZJl2Ox6fuLACLcBGAsYHQ/s72-c/Legalvoicebd.png
Talkative Bangla- এসো বাংলায় মাতি উল্লাসে | বাংলা সোস্যাল ব্লগ সাইট
https://www.talkativebangla.com/2019/11/Civil-law.html
https://www.talkativebangla.com/
https://www.talkativebangla.com/
https://www.talkativebangla.com/2019/11/Civil-law.html
true
4497219040230755502
UTF-8
সকল পোস্ট লোড হয়েছে কোন পোস্ট পাওয়া যায়নি সব দেখুন বিস্তারিত পড়ুন Reply Cancel reply Delete By প্রথম পাতা বাকিটুকু পরবর্তী পাতায় দেখুন POSTS সব দেখুন আপনার জন্য আরও টক টক বিভাগ ARCHIVE আপনি খুজছেন সকল টক আপনার অনুরোধ অনুযায়ী কোন পোস্ট পাওয়া যায়নি। দয়া করে অন্যভাবে চেষ্টা করুন অথবা প্রথম পাতায় ফিরুন Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS CONTENT IS PREMIUM Please share to unlock Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy